খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কালিয়াকৈরে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের অভিযোগে দুই নারী ও এক পুলিশ সদস্যসহ চারজন আটক

কালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের অভিযোগে দুই নারী ও এক পুলিশ সদস্যসহ চারজন আটক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে জিম্মি করা, ব্ল্যাকমেইলিং অর্থ আদায়ের অভিযোগে কথিত ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের দুই নারী ও এক পুলিশ সদস্যসহ মোট চারজনকে আটক করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার বিশ্বাসপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পুলিশের হ্যান্ডকাফ ও একটি পুলিশ কটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাপিয়া, তার স্বামী পুলিশ সদস্য সজীব, সুমু আক্তার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলে নির্জন স্থানে ডেকে আনতেন। পরে তাদের জিম্মি করে গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সায়মন নামে এক যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্কের অভিনয় করে শুক্রবার রাতে তাকে বিশ্বাসপাড়া এলাকার মদিনা ভবনের সপ্তম তলার একটি কক্ষে ডেকে নেন পাপিয়া। যুবক কক্ষে প্রবেশ করার পর দরজা বন্ধ করে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

একপর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে সায়মন দৌড়ে বারান্দায় গিয়ে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় সজীব ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে ওই যুবকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে হেনস্থার অভিযোগ তোলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও তল্লাশি চালায়। পরে প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার দাবি করে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তল্লাশি করে আপত্তিকর তথ্য,  ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগ ও উদ্ধার হওয়া আলামতের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা প্রস্তুতি চলছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।