খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর কালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর কালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষা একটি জাতির অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত অবকাঠামো, নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা ভবিষ্যতে দেশ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ সংস্কার, দুটি ফটক নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেটের শিক্ষা বিস্তারে ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের স্বনামধন্য এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হয়নি। তাই শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন বিদ্যালয়টির উন্নয়নকাজ হাতে নিয়েছে।

তিনি জানান, ১ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুটি নতুন ফটক নির্মাণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়ের অন্যান্য অবকাঠামোগত সমস্যাও সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর ও আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কাউন্সিলর ও সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম মুনিম, সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেফালী সুলতানা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক ফৌজিয়া আক্তার।
এ সময় সিনিয়র শিক্ষক মো. আজিজুর রহমান, মো. আবুল খায়ের, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।