খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে নিখোঁজ হওয়া আব্দুল আলীকে অপহরন করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে ছেলের দাবি

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে নিখোঁজ হওয়া আব্দুল আলীকে অপহরন করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে ছেলের দাবি

পিতাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার কিংবা গুম করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ছেলে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এমন অভিযোগ করেন চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের দেউলগাঁও গ্রামের নিখোঁজ হওয়া হাজী আব্দুল আলী মিয়ার প্রবাসী ছেলে মোঃ শামসুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার পিতা হাজী আব্দুল আলী গত ৬ আগষ্ট বিকাল থেকে নিখোঁজ।
সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গা খুজ খবর নিয়ে কোন সন্ধান না পেয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন।
তার পিতা হাজী আব্দুল আলী সাটিয়াজুরী ইউনিয়ন বিএনপির ১ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি বলে তিনি জানান।
তিনি কান্ন জড়িত কন্ঠে অভিযোগ করেন, পূর্ববিরোধের জের ধরে তার পিতাকে দেউলগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে আব্দুল মতলিব,আব্দুল মতিন,আব্দুল হামিদ,মিজান মিয়া,আব্দুল মতিনের ছেলে শাহাবুদ্দিন, আব্দুল মালেকের ছেলে আব্দুল হাই ও পাশ্ববর্তী ইচ্ছাকুটা গ্রামের জালাল হোসেনের ছেলে বাবুল মিয়া ও আইয়ূব আলী গংরা মিলে
আমার পিতাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যেতে পারে।কিংবা মেরেও ফেলতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাঁর বাবাকে সুস্থ ও নিরাপদে উদ্ধার করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
এ সময় তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।