খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দাফতরিক কার্যক্রম ব্যাহত

সচিবালয়ের কিছু ভবন বিদ্যুৎহীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:১৪ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ের কিছু ভবন বিদ্যুৎহীন

অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তার স্বার্থে সচিবালয়ের কিছু কিছু ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এতে সেই ভবনগুলোতে ওঠার জন্য লিফটগুলো বন্ধ আছে। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলেও দাফতরিক কাজকর্ম হচ্ছে না। তবে যেসব ভবনে বিদ্যুৎ আছে, সেগুলোতে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল বেলা ১২টা পর্যন্ত অনেক দফতরেই কার্যক্রম শুরু হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাত নম্বর ভবন পরিষ্কার করার কাজ চলছে।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) রমনা জোনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মহসীন আব্দুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগুন লাগার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বিদ্যুৎ বিতরণ বন্ধ করেছি। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনেক পানি ছিটিয়েছেন, এতে করে অনেক কক্ষের আসবাবপত্রসহ সব কিছু ভেজা অবস্থায় রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে আবারও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই গণপূর্ত অধিদফতর পিডব্লিউডি ও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন এখন সেখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর বিদ্যুৎ লাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আবার সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনে রাত ১টা ৫০ মিনিটে ছয় তলায় প্রথমে আগুন লাগে। ১টা ৫২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ১টা ৫৪ মিনিট থেকে ফায়ার সার্ভিস তাদের কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে সচিবালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাত থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়েছেন সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। তারা সচিবালয়ের বিভিন্ন ফটকে অবস্থান নিয়েছেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।