খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণতায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের দেয়াল, ছাদ ও বিভিন্ন অংশে দেখা দিয়েছে ক্ষয়ক্ষতি। বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তবে পুরোনো ভবনের বেহাল দশার কারণে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের পুরোনো ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে। ছাদের বিভিন্ন অংশও নষ্ট হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। এছাড়া ভবনের বিভিন্ন স্থান থেকে পলেস্তারা খসে পড়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের জন্য দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জন কুন্ডু বলেন, “ভবনটি অনেক পুরোনো ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”

কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, “গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে যাতে কোনোভাবেই পাঠদান করানো না হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।