খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন

মোঃরাব্বি রাশেদ পলাশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামকে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশণ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে অগ্রগতি শেয়ারিং ও উদযাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে কুড়িগ্রাম এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে ও সহযোগিতায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ সভার উদ্দেশ্য ছিল, সুভারকুটি গ্রামকে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা এবং শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থার অগ্রগতি শেয়ারিং নিশ্চিত কারণের পরিকল্পনা গ্রহণ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হলোখানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মশিউর রহমান মন্ডল।

বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৯ ওয়ার্ড ইউপি সদস্য গোলজার হোসেন, নুরনবী হলোখানা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শাহনাজ ইয়াসমিন।

আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম এডিপি’র প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ আমজাদ হোসেন, ফেসিলিটেটর, ভিডিএস, ওয়াটসন ও ইকোভিলেজ কমিটি, শিশুফোরাম আরমি ও নল আরসি পরিবারে সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

অনুষ্ঠানে প্রায় ২ শত জন উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন এবং পরিবেশ বান্ধব গ্রাম অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশবান্ধব গ্রাম গড়ে তুলতে শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। স্থানীয় সকল মানুষের প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই গ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উল্লেখ, এর আগে উক্ত গ্রামে ৮৩ সেট টিউবওয়েল বিতরণ করেছে ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।