আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
বিশেষ প্রতিনিধি: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান যুগে আমরা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অনেক নির্ভর হয়ে পড়ছি। শিক্ষার্থীরাও এখন তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ। তাই, শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে শিক্ষাদান করতে হলে শিক্ষকদেরকেও এ বিষয়ে গভীরভাবে জানতে হবে।
১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ‘৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যে শিক্ষার্থী পেছনের বেঞ্চে বসে থাকে, যে শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সাহস পায় না-সেই শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিতে হবে। আর এটা শিক্ষকদেরই দায়িত্ব। শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। আর এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এসময় মন্ত্রী, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল শিক্ষকদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড সরদার মোঃ কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি,
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল মজিদ প্রামানিক বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমীর মহাপরিচালক প্রফেসর ড ওয়াসিম মোঃ মেজবাহুল হক।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে মন্ত্রী বলেন, এসএসসিতে যারা সর্বোচ্চ দুইটি বিষয়ে ফেল করবে তাদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। বছরের পর বছর পরীক্ষা নেওয়ায় অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে। তাই, ফেল করার ১৫ দিন পর পরীক্ষা দেওয়ার পরও পাশ না করলে, তাদেরকে কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী এরপর ‘১০০টি বিদ্যালয়ে খান একাডেমি, বাংলাদেশ এর কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। এর মাধ্যমে বগুড়া, নেত্রকোনা ও কক্সবাজারে নতুন করে ১০০ টি বিদ্যালয়ে খান একাডেমির শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। এরপর মন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।
ঢাকার ডাক নিউজ/এস

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]