খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের লন্ডনে রয়েছেন প্রায় ১৬ বছর। সম্প্রতি তার দেশে ফেরার আলোচনা তৈরি হয়েছে। ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেন সরকার ও পরে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্তত ৮৪টি মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এসব মামলার সিংহভাগ নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। বাকিগুলোও একই পথে। এ প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান কবে দেশে ফিরছেন, সেই প্রহর গুনছেন তার দলের নেতা-কর্মীরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার বিষয়টি খোলাসা করেছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, তারেক রহমান আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মামলা তার নিজস্ব গতিতে চলবে। অতএব, মামলার জন্য তার দেশে আসা না আসা কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেনের প্রায় প্রত্যেকটা মামলা বাতিল হয়ে গেছে। আর শেখ হাসিনার সময়ে মানহানি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৬টা মামলা খারিজ হয়ে গেছে। আর ১৮/১৯টার মতো মামলা আছে। ওনার (তারেক রহমান) দেশের আসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ উনি যথাযথ সময়ে নেবেন।

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সরকার কথিত অভিযানের নামে ব্যাপক ধরপাকড় করে। সেসময় গ্রেপ্তার করা হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও ব্যবসায়ীদের। ওই বছরের ৭ মার্চ গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। কারাগারে থাকাকালে তিনি প্রচণ্ড নির্যাতনের শিকার হন। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে লন্ডন চলে যান বিএনপির এই নেতা। তখন থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।