খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে থাকেন হাঁপানি রোগীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে থাকেন হাঁপানি রোগীরা

অনেকেই অতিরিক্ত ওজন সমস্যায় ভোগেন। বেশিরভাগ মানুষই খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, ফলে কিছু সময় পর ওজন আধিক্যের সমস্যা ধরা পরে। তবে সবসময় এমন নাও হতে পারে। থাইরয়েড অসামঞ্জস্যতা সহ নানারকম হরমোন এবং রাসায়সিকর পদার্থ ওজন বাড়ার সাথে প্রতোক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকে। সবসময় শুধু বেশি খাবার খাওয়ার কারণেই শরীর অতিরিক্ত স্থূল হয়ে যাবে, তেমনটা নাও হতে পারে।

বিভিন্ন রোগের কারণে অনেকের ওজন বাড়তি থাকে। অনেকে আবার পৃথক কোনো রোগের চিকিৎসা করাতে ঔষধ সেবন করেন। তার পার্শপ্রতিক্রিয়া স্বরুপ নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে ওজন বেড়ে যায়। এরমধ্যে অন্যতম হলো হাঁপানি। হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ওজন কমানো অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে।

ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ সন্তান অনন্ত আম্বানি। তার স্বাস্থ্য নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি করে। ওজন অতিরিক্ত বেশি হওয়ার কারণে অনন্ত আম্বানি স্থূলাকার স্বাস্থ্যের অধিকারি। রাধিকা মার্চেন্টের সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনের এক মহল দম্পতির শারীরিক আকারের অনুপাত নিয়ে হাস্যরসে মেতে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হরহামেশাই অনন্তকে ওজন কমানোর পরামর্শ দেন অনেকে। তবে অনেকেই জানেন না, স্বাস্থ্যসমস্যার কারণে অনন্ত-র শরীর এমন স্থূল। শুধু খাদ্যাভ্যাসের কারণে অতিরিক্ত ওজন হয়নি তার। হাঁপানির চিকিৎসার করার কারণে তার ওজন বাড়তে থাকে।

২০১৭ সালে টিওআই-এর এক সাক্ষাৎকারে অনন্ত আম্বানির মা নীতা আম্বানি বলেন, খুব ছোট বয়স থেকেই অনন্ত অসুস্থ থাকতেন। ২ বছর বয়স থেকেই তার গুরুতর হাঁপানির সমস্যা ছিল। সেই কারণে অনেক স্টেরয়েড নিতে হয়েছিল অনন্তকে। সেই থেকেই তিনি অতিরিক্ত ওজন সমস্যায় ভুগছেন। একসময় তার ওজন ২শ কেজি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার সর্বোচ্চ ওজন ছিল ২০৮ কিলোগ্রাম। ব্যায়াম করা এবং খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিনি সেই পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে মাত্র ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন তিনি।

কয়েক বছর আগে, অনন্ত নিজের শরীরের বিরুদ্ধে লড়াই করে। নিজের ওজন কমিয়ে আনেন তিনি। ২০১৬ সালে তার সেই পরিবর্তন দেখে চমকে গিয়েছিল ভারতবাসী। তবে সময়ের সাথে তার আবার ওজন বাড়তে দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের ফুসফুস এবং হাঁপানি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, হাঁপানির সমস্যার কারণে শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম করতে ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড নেওয়ার কারণে ক্ষুধাও বাড়তে থাকে। তাছাড়া স্টেরয়েডের ঔষধ খাওয়ার ফলে তরল ধারণের পরিমাণও বাড়ে। ওজন বাড়ার এটাও একটা বিশেষ কারণ।

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।