খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শ্রীপুরে শিক্ষকতার পাশাপাশি ড্রাগন চাষ করে   লাভবান ফারুক মাস্টার

মো : আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে শিক্ষকতার পাশাপাশি ড্রাগন চাষ করে    লাভবান ফারুক মাস্টার

শিক্ষকতা তার পেশা, আর কৃষি যেন তার নেশা। চাকরির ব্যস্ততার মধ্যেও কৃষিকে ভালোবেসে চার বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে এখন সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার দক্ষিণপাড়া এলাকার শিক্ষক ফারুক আহমেদ।

 

দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য ও পরিকল্পিত পরিচর্যায় তার বাগানে এখন প্রতি সপ্তাহেই উঠছে শত শত কেজি ড্রাগন ফল। বছরে উৎপাদিত ফল বিক্রি করে আয় হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে তার নিট আয় ১৪ লাখ টাকা।

 

ফারুক আহমেদ তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি ফরিদপুর গ্রামের ওয়াজ উদ্দিনের ছেলে। শিক্ষকতার পাশাপাশি নিজের কিছু করার চিন্তা থেকেই কয়েক বছর আগে ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি। পরে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে আবদার গ্রামের শাহিদ মেম্বারের কাছ থেকে চার বিঘা জমি ১০ বছরের জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকায় লিজ নেন।

 

জমি লিজ নেওয়ার পর শুরু হয় বাগান তৈরির কাজ। ড্রাগন চাষের জন্য জমিতে তৈরি করা হয় সারি সারি পিলার। বাগানের প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরিতেই ৩২ লাখ টাকা খরচ হয়। মোট সাড়ে ৭৫০টি পিলার নির্মাণ করে প্রতিটি পিলারে চার থেকে পাঁচটি করে চারা রোপণ করা হয়। শুরুতে চার হাজার চারা দিয়ে বাগানের যাত্রা শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে গাছের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বর্তমানে বাগানে প্রায় লক্ষাধিক ড্রাগন চারা রয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তা ফারুক আহমেদ।

 

তবে শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। প্রথম বছর বাগান তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও গাছ থেকে কোনো ফলন পাননি তিনি। এতে হতাশ না হয়ে নিয়মিত পরিচর্যা চালিয়ে যান। গাছের বৃদ্ধি, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, সার প্রয়োগ ও সেচ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেন। দ্বিতীয় বছর থেকেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। এরপর প্রতি বছর উৎপাদন বাড়তে থাকে।

 

 

বর্তমানে ফারুক আহমেদের বাগান থেকে সপ্তাহে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি ড্রাগন ফল সংগ্রহ করা হয়। পাইকারি বাজারে গড়ে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় বাগান থেকে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ টন ড্রাগন ফল উৎপাদন হচ্ছে। এতে বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।

 

উৎপাদনের পাশাপাশি বাগানের ব্যয়ের হিসাবও রয়েছে। সার, শ্রমিকের মজুরি, গাছের পরিচর্যা, সেচ ও অন্যান্য খাতে বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়। সব খরচ বাদ দিলে বছরে আনুমানিক ১৪ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি।

 

ফারুক আহমেদ বলেন, ড্রাগন চাষে প্রথম দিকে বিনিয়োগ বেশি হলেও একবার বাগান দাঁড়িয়ে গেলে নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ফলন পাওয়া যায়। শুরুতে ফল না পাওয়ায় অনেকেই তাকে নিরুৎসাহিত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরে বাগানের পরিচর্যা চালিয়ে গেছেন। এখন বাগান থেকে নিয়মিত ফলন ও আয় আসায় তার সেই পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।

 

তিনি বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষিকে বেছে নেওয়ার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল নিজের সময়কে কাজে লাগানো এবং কৃষিতে নতুন কিছু করা। ড্রাগন চাষে সফলতা পাওয়ার পর তিনি মনে করেন, পরিকল্পিতভাবে উচ্চমূল্যের ফল চাষ করতে পারলে কৃষি শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়, লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হতে পারে।

 

ফারুকের বাগানে উৎপাদিত ড্রাগন ফলের আকার, স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় স্থানীয় বাজারে রয়েছে বেশ চাহিদা। ফল পাকার মৌসুমে বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা বাগানে এসে ফল সংগ্রহ করে নিয়ে যান। অনেক সময় বাজারে নেওয়ার আগেই বাগান থেকে ফল বিক্রি হয়ে যায়। এতে ফল বাজারজাত করতে আলাদা করে বড় ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয় না উদ্যোক্তাকে।

 

বাগানটি ঘুরে দেখা যায়, চার বিঘা জমিজুড়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য পিলার। প্রতিটি পিলার ঘিরে বেড়ে উঠেছে ড্রাগন গাছ। কোথাও সবুজ ডালপালা, কোথাও ঝুলছে পাকা ফল। পুরো বাগানজুড়ে যেন এক ভিন্ন কৃষি পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বাগানের এমন দৃশ্য দেখতে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেক মানুষ আসছেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগেও এ জমিতে প্রচলিত কৃষিকাজ হতো। বর্তমানে সেখানে আধুনিক পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ হচ্ছে। শিক্ষক ফারুক আহমেদের উদ্যোগ দেখে এলাকার অনেকেই এখন উচ্চমূল্যের ফল চাষের বিষয়ে আগ্রহী হচ্ছেন। তাদের মতে, কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও নতুন জাতের ফলের চাষ বাড়ানো গেলে কৃষকের আয়ও বাড়বে।

 

বাগান সংশ্লিষ্টরা জানান, এখানে ক্ষতিকর কেমিক্যালের ব্যবহার এড়িয়ে নিরাপদ পদ্ধতিতে ড্রাগন ফল উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। গাছের পরিচর্যা থেকে শুরু করে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুতেই নিয়ম মেনে কাজ করা হয়। এ কারণে বাগানের ফলের মানও ভালো হচ্ছে এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

 

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা দৈনিক ঢাকার ডাক কে বলেন, শ্রীপুর উপজেলায় বর্তমানে প্রায় পাঁচ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের বাগান রয়েছে। ড্রাগন ফল শুধু খাওয়ার জন্য নয়, এটি দিয়ে জেলি ও শরবতসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরি করা সম্ভব।

 

তিনি বলেন, তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার গ্রামের ফারুক আহমেদের ড্রাগন বাগানটি কৃষি অফিস নিয়মিত তদারকি করছে। নিরাপদ ও কেমিক্যালমুক্ত পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষের মাধ্যমে কীভাবে উৎপাদন আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, বাগানের পরিচর্যা এবং উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

 

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ড্রাগন ফলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। ফলে সঠিক জাত নির্বাচন, উন্নত পরিচর্যা, আধুনিক চাষপদ্ধতি ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা গেলে এ ফলের বাণিজ্যিক চাষ কৃষকদের জন্য লাভজনক হতে পারে।

আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। অপরাধী সে অপরাধীই।

রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠক ও পুলিশি অভিযান প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উক্ত কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রাথমিক আটক করা প্রায় ২৮০ জনের মধ্যে বেশিরভাগকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ২৭ জনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে নাশকতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়ের করা হবে। কাউকে অযথা হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান চালানো হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির বিতর্ক নিয়ে মন্ত্রী জানান, ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী এলাকায় একটি বিতর্কিত জমি (প্রায় ৩৫ কাঠা) নিয়ে নিউ গিনি প্রপার্টিজ নামক একটি বিল্ডার গোষ্ঠী এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার মধ্যে মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তিনি বলেন, ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে রাতের আঁধারে একপক্ষ দখল করতে গেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্টুডিও ভাঙচুরের শিকার হয়। ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং গুলির খোসাসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। উক্ত ঘটনায় ফেসবুক লাইভে এসে বিএনপিকে চাঁদাাবাজ দল হিসেবে অভিযোগ উত্থাপন করা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করেছেন যে তাঁর কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা ছাড়া ঢালাও অভিযোগের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। ভুক্তভোগী লিখিত মামলা দায়ের করলে পুলিশ গুরুত্বের সাথে পুরো বিষয়টির সুনির্দিষ্ট তদন্ত সম্পন্ন করবে।

মিরপুরের শাহআলী থানা এলাকায় রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও দায়িত্ব অবহেলার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে সংঘটিত উক্ত ঘটনায় শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (Departmental Proceedings) রুজু করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, ঘটনাটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের জন্য ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ ইতোমধ্যে ৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তারসহ বেশ কিছু মালামাল ও আলামত উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ককটেল বিস্ফোরণ ও রাজপথের আন্দোলন সম্পর্কিত এক নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘অসংলগ্ন ও ভারসাম্যহীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিয়ে কোনো মন্তব্য না করে সার্বিক বিষয়টি মূল্যায়নের দায়িত্ব তিনি সচেতন জনগণের ওপর ছেড়ে দেন।পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়মিত ও প্রশাসনিক বদলি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব অবহেলা বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা থাকলে শুধু বদলিই শেষ পদক্ষেপ নয়। কোনো কর্মকর্তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা অন্য কোনো ফৌজদারি অপরাধে জড়িত থাকলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি নিয়মিত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিপূর্বে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত, ফরেনসিক পরীক্ষা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারের নজির উল্লেখ করে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, পুলিশ বাহিনীতে অপরাধ বরদাশত করা হবে না।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার সর্বদা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস