খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী পবায় বিনামূল্যে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিকে টিকাদান, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
রাজশাহী পবায় বিনামূল্যে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিকে টিকাদান, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

রাজশাহীর পবা উপজেলায় প্রান্তিক খামারিদের গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি সুরক্ষায় বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৮৩ হাজার ৫০০ গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বড়গাছী ইউনিয়নের তালগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। উপজেলা প্রশাসন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিনামূল্যে এই টিকাদান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এর আগে হরিপুর ইউনিয়নের চর মাজার দিয়াড়েও অনলাইনে একই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পবা অত্যন্ত উর্বর এলাকা হওয়ায় এখানে প্রাণিসম্পদ উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, অনেক পরিবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন করে সংসার চালায়। রোগ দেখা দিলে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে এবং আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। প্রান্তিক খামারিদের কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ।

তিনি জানান, কর্মসূচির আওতায় গরুর তড়কা রোগের ২ হাজার, বাদলা রোগের ২ হাজার ৫০০ ও গলাফুলা রোগের ২ হাজার ডোজ, ছাগলের পিপিআর রোগের ২ হাজার ডোজ, মুরগির রানীক্ষেত রোগের ৭০ হাজার ডোজ এবং হাঁসের ডাকপ্লেগ রোগের ৫ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃমোঃআব্দুল লতিফ,ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃমোঃসোহরাব খানসহ প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিনামূল্যে টিকা পেয়ে খুশি খামারিরা। তালগাছির খামারি রেজাউল হক বলেন,৩টি গরু, ৫টি ছাগল ও ২টি হাঁসকে টিকা দিয়েছি। নিজ খরচে টিকা দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন। সরকার ফ্রি দিচ্ছে, এতে অনেক উপকার হলো।

গৃহিণী মরিয়ম বেগম ও কৃষক মোজাম্মেল হকও একই অনুভূতি প্রকাশ করে এই কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার দাবি জানান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।