খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাছের উৎপাদন বাড়াতে ডিমলার ১৩ জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
মাছের উৎপাদন বাড়াতে ডিমলার ১৩ জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত

‘রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর ডিমলায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৩টি জলাশয়ে ২৫০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে বদ্ধ জলাশয়, প্লাবনভূমি ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ডিমলা উপজেলার ১৩টি জলাশয়ে মোট ২৫০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে।

নির্ধারিত জলাশয়গুলোর মধ্যে রয়েছে উপজেলা পরিষদ পুকুর, উপজেলা ভূমি অফিস পুকুর, ডিমলা এতিমখানা পুকুর, ডিমলা থানা পুকুর, ডাংগারহাট মৎস্য অভয়াশ্রম, বুড়িতিস্তা রিজার্ভার, জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ পুকুর, ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ পুকুর, জনতা ডিগ্রি কলেজ পুকুর, খালিশা চাপানী ফাজিল মাদ্রাসা পুকুর, গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ পুকুর, উত্তর ছাতনাই কেদি মাদ্রাসা পুকুর এবং নাসির উদ্দিন প্রধান ও আমেনা প্রধান এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা পুকুর।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, সরকারি জলাশয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে পোনা মাছ অবমুক্ত করার মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাশয়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব। পাশাপাশি জলাশয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ও মাছের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ বলেন, দেশীয় মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যেই সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার এবং মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন বন্ধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না, জেলা আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন ও গোলাম রব্বানী প্রধান, জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলা সেক্রেটারি রোকনুজ্জামান বকুল, মিনালুজ্জামান মিন্টুসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।