গজারিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রদূত,সচিব,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের ভাংচুর পারিবারিক কবরস্থান পরিদর্শনে এমপি রতন, থানায় মামলা
ধর্মীয় অনুভূতি একটা মোসলমানের শেষ ঠিকানা কবরস্থান, সেই কবরস্থান নিয়ে সকল কে প্রশ্নবিদ্ধ করল এই ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যে ব্যক্তি এটা করেছ তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে থানায় মামলা হয়েছে, আইনের মাধ্যমে তার বিচার হবে,কুলাঙ্গার শাহাদাত যে মন্ত্রীর নাম বিক্রি করেছে আমি সংশ্লিষ্ট সেই মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে তিনবার কথা বলেছি,তিনি জানিয়েছেন তাকে চেনেনও না। এই ব্যক্তি আসলে একজন প্রতারক, সে যেই কাজটা করেছে অবশ্যই ঘৃণিত, তার শাস্তি হবে। অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনকে প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করে- মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রদূত,সচিব, লেখক,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের পারিবারিক কবরস্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান রতন এমপি এ কথা বললে।
মঙ্গলবার(১৩ অক্টোবর)বিকাল ৫ঘটিকায় উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাজীপুরা এলাকায় চার গ্রামের সামাজিক কবরস্থানের মধ্যে সাবেক সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম এর পারিবারিক কবরস্থান পরিদর্শন করেন ও কবরবাসীর রুহের মাগফেরাত কামনা স্থানীয় আলেম এবং নেতাকর্মীদের নিয়ে দোয়া করেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এম ইসহাক আলী,আহসান উল্লাহ গজারিয়া ইউপি প্রশাসক মনিরুজ্জামান,ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকার,স্থানীয় বিএনপি নেতা হারুন সরদার,ফিরোজ আলম, মুক্তার হোসেন,জামাল উদ্দিন বেপারী প্রমুখ।
জানা যায়,অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন,ভেঙ্গে ফেলা বেড়া মেরামতসহ কবরস্থানটি দ্রুত পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এ বিষয়ে গজারিয়া থানায় সাহাদাত কে প্রধান আসামি করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা রুজু হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর আমি নিজে গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছি। কবরস্থানটি পূর্বে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ও তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে,কবরস্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য গোরস্থান কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি কবরস্থানটির সার্বিক নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাজীপুরা গোরস্থানে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কথিত জমিদার পরিবারের নাতি ও মন্ত্রীর ভাগিনা পরিচয় দেওয়া দড়িকান্দি গ্রামের প্রয়াত গোলাম মাওলার ছেলে শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক এই হামলায় অংশ নেয় বলে জানা যায়।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]