ভালুকায় এসিল্যান্ডের আদেশে জমির নামজারি বহাল
ময়মনসিংহের ভালুকায় জমির নামজারি ও জমা খারিজ নিয়ে বিরোধের ঘটনায় করা আবেদন খারিজ করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন। জমি কেনার দলিলসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে বিবাদীর নামে করা নামজারি ও জমা খারিজ সঠিক বলে আদেশ দিয়েছেন তিনি।
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফার জমি নিজের বলে দাবি করে মো. শফিকুল ইসলাম ওই জমির নামজারি ও জমা খারিজের বৈধতা নিয়ে আপত্তি জানান। এ বিষয়ে তিনি ভূমি কার্যালয়ে আবেদন করেন। পরে জমি কেনার দলিল, নামজারির কাগজপত্র এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আবেদনটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন এসিল্যান্ড।
আদেশে বলা হয়, বিবাদী সাফ-কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি কিনেছেন। পরে ওই দলিলের ভিত্তিতে তাঁর নামে নামজারি ও জমা খারিজ করা হয়। কাগজপত্র যাচাই করে এসব কার্যক্রম সঠিক বলে মনে হওয়ায় আবেদনকারীর দাবি গ্রহণ করা হয়নি।
তবে জমিটি সরেজমিনে তদন্তের সময় সেখানে আবেদনকারী মো. শফিকুল ইসলামের দখল দেখা গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তদন্তের সময় বিবাদী উপস্থিত না থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নথিপত্র ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে এসিল্যান্ডের আদেশে ১২৩৬২(IX-I)/২০২৫-২৬ নম্বর নামজারি ও জমা খারিজ সঠিক বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ১৫০ ধারায় করা আবেদনটি খারিজ করে মামলাটি নথিভুক্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে ০৩.৪৫.৬১১৩.০০০.১৯.০৫২.২৬-১৫৫৭ নম্বর স্মারকে এ আদেশ জারি করেন ভালুকার এসিল্যান্ড মো. ইকবাল হোসেন।
আদেশের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবগতির জন্য ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং ডাকাতিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]