খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বোলিং করতে পারবেন না বলেই বাদ সাকিব!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
বোলিং করতে পারবেন না বলেই বাদ সাকিব!

ইংল্যান্ডে কাউন্টি খেলতে গিয়ে বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়ে সাকিব আল হাসানের। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের লাফবোরো বিশ্ববিদ্যালয়, চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র সেন্টার ফর স্পোর্টস সায়েন্সের দুই জায়গাতে বোলিং শোধরানোর পরীক্ষা দিয়েও পাস করতে পারেননি। তাই আগামী এক বছর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সাকিব বোলিং করতে পারবেন না। তবে ব্যাটার হিসেবে খেলতে বাধা নেই। কিন্তু বোলিং করতে পারলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে তিনি বিবেচিত হতেন বলে জানালেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

সাকিবকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে সুযোগ না দেওয়ার কারণ জানাতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘সাকিবের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে যে সমস্যা আছে, সেটা থেকে উত্তরণের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিল। ফলাফল নেগেটিভ হওয়ায় এখন শুধু ব্যাটার হিসেবে খেলতে পারবে। সিলেকশন প্রসেসে ওর অবস্থান ছিল ব্যাটার হিসেবে। এই দলে টিম কম্বিনেশন সাজাতে গিয়ে শুধু ব্যাটার হিসেবে ১৫ জনের দলে জায়গা দিতে পারিনি।’

লিপু জানিয়েছেন, ওয়ানডে ফরম্যাটে সাকিবকে ব্যাটার হিসেবে একাদশে সুযোগ দেওয়া কঠিন। যদিও এই ফরম্যাটে সাকিব তার সর্বশেষ দশ ম্যাচে ৩০ গড়ের বেশি রান করেছেন। বিষয়টি জানাতেই লিপুর উত্তর, ‘পাবলিকলি, এত ওপেনলি একজন লিজেন্ডারি ক্রিকেটারকে কেন দলে রাখা গেলো না এটা আলোচনা করা ভালো কথা না। এই মুহূর্তে দলে যারা আছেন তারা এগিয়ে আছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন, আস্থা সে কারণেই। শুধু কি অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের কারণেই সাকিব নেই? নাকি রাজনৈতিক ইস্যুও ছিল এর পেছনে। এমন প্রশ্নে লিপু জানালেন, ‘বোর্ড সভাপতি বলেছেন কেউ রিটায়ার্ড না করলে বিবেচনায় থাকবে। বোলিং অ্যাকশনের পর আমরা অন্য কিছু নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবিনি। আমাদের প্ল্যানিংয়ে সাকিব না থাকার কারণেই সেই (রাজনৈতিক) ইস্যু নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। আমাদের দলে থাকলে হয়তো বোর্ড থেকে আরও স্পষ্ট অবস্থান জানতে পারতাম।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।