খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ক্রিকেট ও ক্রীড়া কূটনীতিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ঢাকা-কাঠমান্ডু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ক্রিকেট ও ক্রীড়া কূটনীতিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ঢাকা-কাঠমান্ডু

বিশেষ প্রতিনিধি: ক্রিকেট ও ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। এ সময় দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সময়মতো সহযোগিতা করায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুদৃঢ় রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও ক্রীড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে আবারও দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি।বিশেষ করে সাম্প্রতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আমাদের জনগণের জন্য অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশকে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের অনুরোধ করছি। আমাদের দল বাংলাদেশ সফরে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত। একইভাবে বাংলাদেশ দলকে নেপালে স্বাগত জানাতেও আমরা প্রস্তুত।

নেপালের প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে ক্রীড়া কূটনীতিকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।আমরা ক্রীড়া কূটনীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং বিভিন্ন খেলায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে কাজ করছি।এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি দেওয়ার জন্য নেপালের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন তিনি। চিঠি পাওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে, নেপালের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেন আমিনুল হক। বিশেষ করে পর্বতারোহণসহ সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের সহযোগিতা ও সুযোগ দেওয়ার জন্য নেপালকে আহ্বান জানান তিনি।দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার সম্ভাবনাকে এ বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।