খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:২০ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। চিঠিতে তিনি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে চলমান সংস্কারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন।  চিঠিটি প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়েছে। এর আগে জাতিসংঘের মহাসচিবের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন প্রধান উপদেষ্টা। জাতিসংঘের মহাসচিব ২৫ ফেব্রুয়ারি এর উত্তর দিয়েছেন।

চিঠিতে জাতিসংঘ লিখেছেন,  ৪ ফেব্রুয়ারি আপনি যে চিঠি দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, যা ৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষাতের সময় আপনার রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকার বিষয়ক প্রতিনিধি খলিলুর রহমান আমার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আমি বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং আপনার নেতৃত্বে সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে চাই। আন্তোনিও গুতেরেস লিখেছেন, বাংলাদেশ ও ওই অঞ্চলের ওপর রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাবের পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান মানবিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনি (ড. ইউনূস) যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমিও তার সঙ্গে একমত। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ের কাজ অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ। মিয়ানমারের সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধানের লক্ষ্যে আঞ্চলিক সংস্থা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ান এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করা হবে।

রাখাইনের সম্প্রদায়গুলোর কাছে মানবিক সহায়তা এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমগুলোকে নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়ে মহাসচিব লেখেন, আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছি তারা যেন, রাখাইনের সম্প্রদায়গুলোর কাছে মানবিক সহায়তা এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য সর্বাধিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতিসংঘের স্থানীয় টিমগুলোকে নির্দেশ দেন। এ সকল বিষয়ে সম্পৃক্ত প্রতিটি বিষয়কেই অগ্রাধিকার দেবে জাতিসংঘ। রাখাইন এবং সমগ্র মিয়ানমারের অভাবী মানুষের কাছে নিরাপদ, টেকসই এবং বাধাহীন মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে সমন্বয়কে অগ্রাধিকার দেবে জাতিসংঘ। এই অগ্রাধিকারের মধ্যে মিয়ামারের জন্য জরুরি ত্রাণ এবং আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী এ.আই. অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

চিঠির শেষ অংশে মহাসচিব লিখেছেন, আমি আশাবাদী যে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ স্তরের সম্মেলনটি নতুন করে বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করবে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের জন্য বিস্তৃত সমাধান বিকাশে অবদানের সুযোগ তৈরি হবে। সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে পরামর্শের পর জাতিসংঘ কীভাবে সর্বোত্তম পথে বিষয়টিকে সমর্থন করতে পারে তার জন্য সম্মেলনের ফলাফল এবং পরিকল্পনার অপেক্ষা করছি।

আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা সফর করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব। ওই সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে লিখেছেন, মার্চে, পবিত্র রমজান মাসে আমার আসন্ন বাংলাদেশ সফরে এই আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

চুনারুঘাটে তেলমাছড়া বিটের ভিলেজার পাড়া হতে সেগুন ও আকাশমণি গাছের অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করেছে – বন বিভাগ

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে তেলমাছড়া বিটের ভিলেজার পাড়া হতে সেগুন ও আকাশমণি গাছের অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করেছে – বন বিভাগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন তেলমাছড়া বন বিটের ভিলেজার পাড়া হতে অবৈধ জ্বালানি কাঠ উদ্ধার করে জব্দ করেছে জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর প্রায় ১২ টা রঘুনন্দন রেঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম গোপন সংবাদ পেয়ে তার নেতৃত্বে অত্র বন বিট কাম চেক স্টেশনের স্টাফদের কে নিয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চুনারুঘাটের সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া বিটের অধীনস্থ ভিলেজার পাড়া থেকে সেগুন ও আকাশমণি গাছের ২০ বান্ডিল জ্বালানি কাঠ আটক করে জব্দ করা হয় এবং জব্দকৃত জ্বালানি কাঠ জগদীশপুর বন বিট ফরেস্ট অফিসে হেফাজতে রয়েছে। অপর দিকে চুনারুঘাটে সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া এলাকার বেশ কয়েকজন সচেতন মহল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান , সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া বন বিট টি মৌলভীবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ আবুল কালাম এর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কোনো তদারকি নেই দীর্ঘ দিন ধরে । এ সুযোগে এ রেঞ্জের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও বন প্রহরী সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিন্তু তারা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রতিনিয়ত নির্বিচারে রাতের আধারে পাচারকারীদের সহযোগিতায় বনাঞ্চলের মূল্যবান বাঁশ সহ বিভিন্ন প্রজাতি গাছ কেটে পাচার এবং অন্যদিকে জ্বালানি কাঠ নিয়ে ভিলেজার পাড়া এলাকায় রেখে নীরবে পাচার করে দূরদূরান্ত বিক্রি করছে একটি বনদস্যু সংঘবদ্ধ চক্র। প্রতিদিন সাত ছড়ি বনাঞ্চলের বাঁশ ও বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের গাছ কাটার ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে তেলমাছড়া বিট এলাকায় ভিলেজার পাড়া জব্দকৃত সেগুন ও আকাশমণি গাছের জ্বালানি কাঠ মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।