খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পঞ্চগড়ে বিজিবির বাধার মুখে পুশ ইন ব্যর্থ, গভীর রাতে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

মোছাঃ আছমা আক্তার আখি, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড়ে বিজিবির বাধার মুখে পুশ ইন ব্যর্থ, গভীর রাতে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানের পর রোববার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) সকালে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, গত কয়েক দিন ধরে যেখানে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিও আর ছিল না। উভয় বাহিনী নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে যাওয়ায় এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করেন। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী জানান, বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারার সময় রাত ১২টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের আলো বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা ওই ব্যক্তিদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এর আগে রোববার দুপুরে বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থান নেয়। নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আলোচনার পর রাত আড়াইটার দিকে ওই ১০ জনকে শূন্যরেখা এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সীমান্তে কয়েক দিনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর বিএসএফের এই পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।