খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্বাস্থ্যখাতে রেকর্ড ৬৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট,তামাক-মাদকমুক্ত দেশ গড়ার তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যখাতে রেকর্ড ৬৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট,তামাক-মাদকমুক্ত দেশ গড়ার তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

তামাকের রাজস্বের চেয়ে চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বেশি’; বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে সতর্কবার্তা

ঢাকা, ১৫ জুন: দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ ৬৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও তামাক ও মাদকের বিস্তার রোধ করা না গেলে এই বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, চিকিৎসা অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং জনগণের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে রেকর্ড ৬৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে। তবে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হিসেবে থাকা তামাক ও মাদকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে এই বিপুল বরাদ্দের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

তিনি জানান, দেশে প্রতি বছর তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। হৃদরোগ, ক্যানসার, শ্বাসতন্ত্রের জটিলতাসহ নানা অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ হিসেবে তামাককে দায়ী করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, তামাকশিল্প থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব আয় করে, বাস্তবে তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা, কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে তামাক শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্য নয়, দেশের অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুষ্ঠানে তিনি তামাক নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং তরুণ প্রজন্মকে তামাক ও মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করাও সমান জরুরি। তামাক ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে স্বাস্থ্যখাতের ওপর চাপ কমবে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দের সুফল আরও বেশি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।