খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মনোহরদীতে দুই হাসপাতালে অভিযান : ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
মনোহরদীতে দুই হাসপাতালে অভিযান : ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

নরসিংদীর মনোহরদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে দুই বেসরকারি হাসপাতালকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে হাসপাতাল দুটিতে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মনোহরদী পৌর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সজিব মিয়া।

মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে পৌর এলাকার লাইফ কেয়ার হাসপাতাল ও রাজিব প্রাইভেট হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় হাসপাতাল দুটির ফার্মেসি, অপারেশন থিয়েটার, প্যাথলজি বিভাগের যন্ত্রপাতি, রিএজেন্ট এবং সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে লাইফ কেয়ার হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে সংশ্লিষ্ট ওষুধ জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে রাজিব প্রাইভেট হাসপাতালের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেখান থেকেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান চলাকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্যাথলজি বিভাগের পরিবেশ আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক করা এবং ওষুধ সংরক্ষণে সরকারি বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় হাসপাতাল দুটির কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে সেবার মান উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়।

মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নরসিংদী জেলা ঔষধ প্রশাসনের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুম মনিরা।

অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সজিব মিয়া বলেন, “জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত নজরদারি ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি। তাই এ ধরনের অনিয়ম রোধে নিয়মিত মনিটরিং এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।