খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মাদক ব্যবসায় বাঁধা যুবককে কুপিয়ে জখম- স্থানীয়দের বিক্ষোভ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মাদক ব্যবসায় বাঁধা  যুবককে কুপিয়ে জখম- স্থানীয়দের বিক্ষোভ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় এক যুবকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহত যুবক বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে।

বুধবার (২৪ জুন) ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে জানা , গত ১৭ জুন সকালে উপজেলার জোড়গাছ ঘাটে একটি হোটেলের পাশে কয়েকজনকে গাঁজা সেবন করতে দেখে বাধা দেন স্থানীয় যুবক আনোয়ারুল ইসলাম। এ সময় অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে মনে করা হলেও বিকেলে পূর্ব বিরোধের জের ধরে একদল ব্যক্তি আনোয়ারুলের ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আনোয়ারুলকে বেধড়ক মারধর করে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা আরও কয়েকজনও হামলার শিকার হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আনোয়ারুলের পরিবারের দাবি, চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের ফলে পাশাপাশি হাত ও পা ভেঙেছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত নিরাশাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের হুমকি ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “মাদকের কারণে এলাকার তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে। যারা প্রতিবাদ করছে, তাদেরই হামলা ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।” ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় মাদক সংক্রান্ত কোনো অপরাধ বরদাশত করা হবে না।”

এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।