খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

“রাউজানে গাছের টুকরোর আঘাতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
“রাউজানে গাছের টুকরোর আঘাতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

চট্টগ্রামের রাউজানে গাছের টুকরোর আঘাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচদিন পর মৃত্যু বরণ করলেন আবদুল মান্নান (৩৭) নামের এক ব্যবসায়ী। সোমবার ( ২৯ জুন) রাত ২টার দিকে নগরীর সাজিনাজ হাসপাতাল নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আবদুল মান্নান রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জানিপাথর এলাকার কবির আহম্মেদের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের ভাই লোকমান সওদাগর।

তিনি জানান, গত ২৫ জুন দুপুরে আবদুল মান্নানের সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের জানিপাথর বাজারে প্রকাশ্যে তার চাচাতো ভাই শাহজান গাছ দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরে সেখান থেকে নগরীর সাজিনাজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত দুইটায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মন্নান সওদাগর রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ কবির আহাম্মদের ছেলে এবং মোহাম্মদ লোকমান সওদাগরের ভাই। অভিযুক্ত শাহাজান একই এলাকার সালেহ আহমদের ছেলে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পিটুনিতে আহত অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জেনেছি। সেখানকার থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় সাবেক ছাত্রনেতা ওমর ফারুক জানান, একটি গাছের মালিকানাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সালিশে নিহতের বড় ভাই লোকমান সওদাগর বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। সালিশের সিদ্ধান্ত অভিযুক্তদের পক্ষে না যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা আবদুল মান্নানকে গাছের টুকরো দিয়ে আঘাত করেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, হলদিয়া এলাকায় কয়েক দিন আগে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আহত আবদুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দিবাগত রাতে মারা গেছেন বলে পুলিশকে জানানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।