খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

টাঙ্গুয়ার হাওরে নিয়ন্ত্রণহীন নৌযান ও পর্যটন কার্যক্রম পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে – বিভাগীয় কমিশনার 

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
টাঙ্গুয়ার হাওরে নিয়ন্ত্রণহীন নৌযান ও পর্যটন কার্যক্রম পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে – বিভাগীয় কমিশনার 

টাঙ্গুয়ার হাওরের টেকসই ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় সোমবার।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেটের

বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, হাওর কেবল একটি জলাশয় নয়; এটি নানা প্রজাতির মাছ, উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। প্রায় ৬০ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা এ হাওরের ওপর নির্ভরশীল। তাই হাওরের সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকলেই জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবিকা টেকসইভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

 

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক লাভ বা রাজস্ব বৃদ্ধির চেয়ে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটনের বিকাশ প্রয়োজন হলেও তা অবশ্যই পরিবেশবান্ধব হতে হবে। ইতোমধ্যে ছোট নৌকার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে নৌযান ও পর্যটন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেলে হাওরের পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর দিকনির্দেশনা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

 

সভাপতির বক্তৃতায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, হাওরের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, নৌপরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে কাজ করা হবে। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ, মাছের নিরাপদ আবাস নিশ্চিতকরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন, টেকসই কৃষি এবং কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগকে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামতের ভিত্তিতেই প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু আইন বা প্রকল্প গ্রহণ যথেষ্ট নয়; এ জন্য সবার মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলা জরুরি।

 

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগার কার্যালয়ের পরিচালক মুহাম্মদ সোলায়মান হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান এবং টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাহেদা বেগম। কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, টাঙ্গুয়ার হাওর-সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিতত ছিলেন

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।