খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিউল হাসান এর বিদায় চাঁদপুরের মানুষের ভালোবাসা

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিউল হাসান এর বিদায় চাঁদপুরের মানুষের ভালোবাসা

চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিউল হাসান এআসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ প্রিয় চাঁদপুরবাসী। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার কৃপায় ও সরকারের আদেশে নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পূর্বে গত ২৯ নভেম্বর /২৫ এ চাঁদপুরে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করি। ২৮ জুন ২০২৬ ছিল শেষ কর্ম দিবস।

বহুল কাঙ্ক্ষিত ১২ই ফেব্রুয়ারি/২০২৬ এর জাতীয় নির্বাচন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর সফর, মতলব উত্তরে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী আগমন – এই সবগুলো প্রোগ্রাম চাঁদপুরের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, চাঁদপুর জেলা পুলিশের এবং চাঁদপুরবাসীর সহযোগিতায় অত্যন্ত নিরাপদে এবং কোন ঝামেলা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

 

এছাড়াও, চাঁদপুরকে মাদকমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত করতে চাঁদপুরের সর্বস্তরের জনগণের এবং জেলা পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। যেখানে যখন গিয়েছি, চাঁদপুরের মানুষ অত্যন্ত৫ আপন করে নিয়েছিল আমাকে। যখন যে সহযোগিতা চেয়েছি চাঁদপুরের মানুষের কাছে -সর্বাত্মক সহযোগিতা তাঁরা আমাকে করেছেন। চাঁদপুরের মানুষের ভালোবাসা আমার হৃদয়ে থাকবে চিরকাল অমলিন।

স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়ে, শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী, সকল রাজনীতিবিদ ও গুণীজন, চাঁদপুরের ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়া-স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান – আমার প্রত্যেকটি কাজে আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের প্রত্যেকটি সহযোগিতার জন্য আমি আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ।

 

আমি আমার প্রিয়তম স্ত্রী এবং সন্তান, পিতা-মাতা, শশুর-শাশুড়ি -সবার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি -তাঁরা আমার পাশে ও দূরে থেকেও আমাকে সব সময় সহযোগিতা করেছেন এবং সাহস যুগিয়েছেন।

 

সর্বশেষ এ কথা বলি, আমি যেহেতু একজন মানুষ -আমি আপনাদের সকল কাজ করতে পারিনি, কিন্তু আন্তরিকতা এবং চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল বলে আমি মনে করি না । যদি কোন ক্ষেত্রে সফল হয়ে থাকি তার ভাগীদার আপনারা এবং আমার সহকর্মী বৃন্দ।

 

আমার আচরণের মাধ্যমে বা কথার মাধ্যমে অথবা অন্য কোনভাবে যাদেরকে কষ্ট দিয়েছি, প্লিজ দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন।

 

২৯ জুন/২০২৬ আমি বর্তমান কর্মস্থল থেকে বিদায় নিব ইনশা–আল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদের সবাইকে দুনিয়া এবং আখেরাতে আফিয়াতের ও ইজ্জতের জিন্দেগি দিক।

 

বিনয়াবত-

মোঃরবিউল হাসান

(আইজি ব্যাজ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রাপ্ত).

পুলিশ সুপার চাঁদপুর।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।