খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রবাসীবান্ধব বিমানসেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার: আফরোজা খানম

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
প্রবাসীবান্ধব বিমানসেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার: আফরোজা খানম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ম্যানচেস্টার-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। রোববার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যানচেস্টার থেকে আগত যাত্রীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
যাত্রীদের স্বাগত জানানোর পর আয়োজিত সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক উদ্যোগ ও নির্দেশনায় পুনরায় চালু হওয়া এই রুট যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে সিলেটি প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। তিনি বলেন, সরকার প্রবাসীবান্ধব বিমানসেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে এবং এ রুটের নিয়মিত ও টেকসই পরিচালনা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রী আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, বিমান ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ সম্পন্ন হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট-কক্সবাজার বিমান রুট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক যোগাযোগ কেন্দ্র (রিজিওনাল হাব) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ সম্প্রসারণে সরকার ইতিবাচকভাবে কাজ করছে। এর ফলে সিলেট দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান যোগাযোগ কেন্দ্রে পরিণত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, সিলেটে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত বিমান যোগাযোগের মাধ্যমে পর্যটন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। নিরাপদ, আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব বিমানসেবা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সৃষ্টিই সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় বক্তারা ম্যানচেস্টার-সিলেট রুটের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে তারা ম্যানচেস্টার থেকে আগত যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। যাত্রীরা ফ্লাইটটি পুনরায় চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং নিয়মিত এ সেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।