খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গজারিয়ার ইসমানিরচরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি কামরুজ্জামান রতন

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
গজারিয়ার ইসমানিরচরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি কামরুজ্জামান রতন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ইসমানিরচর এলাকায় নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে তিনি নদীভাঙন ঝুঁকিতে থাকা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গেও কুশল বিনিময় করেন।

 

পরিদর্শনকালে ইসমানিরচরের দেলোয়ার মিয়ার বাড়ি থেকে জেলেপাড়া পর্যন্ত নদীতীরের ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাবাসীর জানমাল, বসতভিটা ও কৃষিজমি রক্ষায় তিনি গত মে মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার প্রদান করেছিলেন বলে জানান।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসমানিরচর এলাকায় নদীভাঙনের আশঙ্কা বেড়ে গেছে। নদীর তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের আঘাতে তীরবর্তী বসতঘর, ফসলি জমি ও গাছপালা হুমকির মুখে রয়েছে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে বালুর বস্তা ফেলে অস্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুললেও তা নদীর প্রবল স্রোতের কাছে টিকছে না।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় তাদের। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে একাধিকবার বসতভিটা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। ভাঙনের কারণে কৃষিজমি হারিয়ে জীবিকা নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন অনেকে।

 

পরিদর্ষণ শেষে সংবাদকর্মীদের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন বলেন, গজারিয়ার ইসমানিরচর নদীভাঙন এলাকার স্থায়ী সুরক্ষার জন্য আমি ডিও লেটার দিয়েছি। অচিরেই এ সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।

এলাকাবাসী দ্রুত নদীভাঙন রোধে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তাদের মতে, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা ও জানমাল রক্ষা পাবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও আতঙ্কের অবসান ঘটবে।

 

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, গজারিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) হামিদা মোস্তফা, মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্না, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রফেসর গিয়াসউদ্দিন, মাসুদ ফারুক, সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনের সহধর্মিনী নূরে জান্নাত রশ্নি

,ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকারসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।