খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে একইদিন দুই শিশুর মৃত্যু 

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে একইদিন দুই শিশুর মৃত্যু 

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির কারণে জনজীবন যেমন স্থবির, তেমনি পাহাড়ধসে দূর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। যদি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকা গুলোতে যারা বসবাসকারী রয়েছে তাদের সড়িয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবুও অসাবধানতার কারণে ঘটছে দূর্ঘটনা। আর সেই দূর্ঘটনার সূত্র টানা বৃষ্টি কারণে পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল নগরীর পাঁচলাইশ এলাকা ও জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এ দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, গতকাল সকাল ৯ টায় সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে আশরাফুল ইসলাম তানভীর ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত তানভীর জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাসিন্দা মাঈন উদ্দীনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন, সীতাকুণ্ড থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তর কুমার রাজবংশী। তিনি জানান, সকালে পাহাড়ের পাদদেশে বসতঘরে পাহাড় ধসে পড়লে ঘটনাস্থলেই তানভীর নামের শিশুটির মৃত্যু হয়। বিষয়টি পুলিশ জানার আগেই পরিবারের সদস্যরা ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করে।

 

অন্যদিকে, একইদিন চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা পাহাড় এলাকায় পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে সুমাইয়া (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। সুমাইয়া ওই এলাকার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের মেয়ে। ঘটনার পর দুপুর সোয়া ১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তার লাশ উদ্ধার করেন।

শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জোন-৪ এর উপসহকারী পরিচালক শাহ ইমরান। তিনি জানান, দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় ঘরে থাকা সুমাইয়ার মা-বাবা বের হয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে পাশের কক্ষে থাকা সুমাইয়া বের হতে পারেনি।

পরে পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।