খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা ফুলতলার ডলার বাবলুর জামাই সোজা সহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডলার বাবলু পলাতক। 

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
খুলনা ফুলতলার ডলার বাবলুর জামাই সোজা সহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডলার বাবলু পলাতক। 

ফটোকপি মেশিনের পার্টস সাপ্লাইয়ার পরিচয়ে যশোরের ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খুলনার ফুলতলা থেকে তিন প্রতারককে বা ভুয়া ডলার ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই যশোর।

গ্রেফতার কৃতরা হলো ফুলতলা দামোদরের মনিরুল ইসলাম (৪০), হাফিজুর রহমান মোল্যা (৪৭) ও ইমতিয়াল আহমেদ ওরফে সুজা (৩০)

 

পিবিআই সূত্রে জানা যায় গত ২২ ডিসেম্বর যশোরে এসে তারা অর্ডারকৃত মালামালের মূল্য বাবদ ৫০ হাজার টাকাসহ জরুরি প্রয়োজন দেখিয়ে আরও ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়, প্রকাশ থাকে ওই ব্যবসায়ীকে অল্প টাকায় ডলার দেয়ার কথাও বলে প্রতারক চক্রের তিন সদস্য।

 

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় প্রতারণায় ব্যবহৃত দুটি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

পিবিআই পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিকেশনের এক বিশেষ জিজ্ঞাসাবাদে সুজা সহ তিন জন ডলার বাবলুর নাম প্রকাশ করে, তারা বলে ডলার বাবলু উক্ত প্রতারক চক্রের সদস্যদের অন্যতম এমন কথা বলে ডলার বাবলুর জামাই সুজা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে

আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

এদিকে খুলনা ফুলতলা দামোদরের বাবলু ওরফে ডলার বাবলু পিতা দলিল উদ্দিনের আক্রমণে আপন চাচা গোলাম মোস্তফা পিতা ফয়েজ উদ্দিন ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে কাতরাচ্ছে।

 

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, বাবলু ওরফে ডলার বাবলু ওরফে অস্ত্র বাবলু পিতা দলিল উদ্দিন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আপন চাচা গোলাম মোস্তফাকে পিছন হতে পিঠ বরাবার কিল,চড়, ঘুষি মারতে থাকে একই সাথে রবিউলও মোশারেফ একত্রিত হয়ে আক্রমণ চালালে, গোলাম মোস্তফা আহত হয়ে মাটিতে ঢলে পড়ে।

 

উক্ত ঘটনায় গোলাম মোস্তফার নিকট জানতে চাইলে ডলার বাবলু ওরফে অস্ত্র বাবলুর ব্যাপারে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। তার ভাষ্যমতে ডলার বাবলু দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও মানুষের নিকট হতে ডলার দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

 

অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ ডলার বাবলু সহ তার মেয়ের জামাই সুজা সরদার পিতা হায়দার সরদারের ব্যাপারে সম্প্রতি যশোর জেলার পি বি আই এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা শোনা যায়।

 

এলাকার সাধারণ জনগণের নিকট ডলার বাবলুর ব্যাপারে আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার তথ্য প্রদান করে, তারা বলে ডলার বাবলু দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অভিনব কায়দায় ডলার বেচাকেনার রমা রম ব্যবসা করে যাচ্ছে। এলাকায় ডলার বাবলুর ব্যাপারে মানুষের মুখে মুখে উঠে এসেছে বাবলু একইভাবে ভূমিদস্যু, মাদক, সেবনকারী মাদক বিক্রেতা ও প্রতার।

 

 

বিগত ফ্যাসসিস্ট আওয়ামী আমলে বাবলু ওরফে ডলার বাবলু যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা সহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে ডলার দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিগত দিনে যশোর অভয়নগর গাজীপুরের কাউন্সিলর বিপুলের এলাকাতে ডলার বাবলু কে সাধারণ জনগণ মেরে বেঁধে রাখে সংবাদকর্মীরা উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়ে জানতে পারে ডলার বাবলু প্রতারণা করতে এসে গণধোলাই এর শিকার হয়েছে।

 

পরবর্তীতে অভয়নগর থানা ডলার বাবুলু কে গ্রেফতার করে থানাতে নিয়ে যায় কিন্তু দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ডলার বাবলু আইনের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে যায়।

 

সেই ডলার বাবলু দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে দামোদর দক্ষিণ পাড়ায় বসে, ডলার বাবলুর ব্যাপারে পিসি পিয়ারের মাধ্যমে জানা যায় একাধিক মামলা রয়েছে তার নামে। প্রতারণা সহ টাকা আত্মসাধের এ ঘটনায় ডলার বাবলুর বাস গৃহে যেয়ে ডলার বাবলুর নিকট ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে ডলার বাবলু সংবাদ কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে গা ঢাকা দেয়।

 

ফ্যাসিস্ট ডলার বাবলু ছাত্রলীগের ক্যাডার জামাই সুজা, বাবলুর সহযোগী আলমগীর, বাবলুর মেয়ে স্ত্রী সকলেই দামোদর দক্ষিণ পাড়া তার নিজ বাস গৃহে বসে মাদক সেবন মাদক বিক্রয় সহ যেকোনো অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকার তথ্য দিয়েছে উক্ত এলাকার নারী পুরুষ সকলেই।

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ডলার বাবলু ফ্যাসিস বাবলু ডলার বেচা কেনার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণায় লিপ্ত হয়।

 

 

ইতিমধ্য কেশবপুর এলাকা হতে ডলার বেচা কেনার নামে নয় লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে ডলার বাবলুর জামাই ছাত্রলীগের ক্যাডারের বিরুদ্ধে যাকে যশোর জেলা পি বি আই গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ সময় ডলার বাবলু জামার গ্রেপ্তার হওয়ার সংবাদ পেয়ে এলাকা ছেড়ে গাঁ ঢাকা দেয়

 

 

ফুলতলা দামোদর দক্ষিণ পাড়ার এম সি এসকের এক নম্বর গেটের সম্মুখে ডলার বাবলুর বাঁশ গৃহের আশেপাশের লোকজন ডলার বাবলুর কৃতকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে সংবাদকর্মীদেরকে জানিয়েছে ডলার বাবলুর বিচার হওয়া প্রয়োজন সে এলাকায় তিরাশের রাজত্ব কায়েম করেছে বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনির হাতে গ্রেপ্তার হলেও ডলার বাবলুর স্ত্রী, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আইনের হাত থেকে ছাড়িয়ে আনতে সক্ষম হয়।

 

এলাকার মানুষ ডলার বাবলু মেয়ে জামাই ছাত্রলীগের ক্যাডার সুজা সরদার ও সহযোগী আলাউদ্দিন সহ ডলার বাবলুর বাহিনীর কু-করমে অধিষ্ঠিত হয়ে সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানিয়েছে।

কেননা কয়েক দফায় ডলার বাবলুকে প্রশাসন গ্রেপ্তার করে ও তার অপরাধের সাম্রাজ্যকে রুখে দিতে পারিনি।

 

পাঁচই আগস্টের পরে ডলার বাবলুকে সারা বাংলাদেশে মোতায়নরত বাংলাদেশ আর্মির বা যৌথ বাহিনীর একটি দল গ্রেফতার করে জমি জমা সংক্রান্ত ও প্রতারণা করে ডলার বেচা কেনার মাধ্যমে জনগণের নিকট হতে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপরাধে যেখানে আর্মিদের কাছে ডলার বাবলু মুসলিকা দিয়ে মুক্তি লাভ করে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।