খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মানবিকতার চরম মূল্য দিচ্ছেন কাতার প্রবাসী হিরন হাওলাদার: আত্মীয়কে নিজের খরচে দেশে পাঠিয়ে উল্টো ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির শিকার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
মানবিকতার চরম মূল্য দিচ্ছেন কাতার প্রবাসী হিরন হাওলাদার: আত্মীয়কে নিজের খরচে দেশে পাঠিয়ে উল্টো ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির শিকার

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে কাতারে সুনামের সাথে কর্মরত আছেন গলাচিপা উপজেলার কিসমত বাউরিয়া গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডের সন্তান হিরন হাওলাদার। নিজ উদ্যোগে ইতিমধ্যে বেশ কিছু বাংলাদেশিকে তিনি বিদেশে নিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কিন্তু আত্মীয়ের অনুরোধে এক যুবককে কাতারে নিয়ে এখন তিনি চরম হয়রানি, ষড়যন্ত্র ও হুমকির শিকার হচ্ছেন।

জানা যায়, হিরন হাওলাদারের মেয়ের জামাইয়ের চাচাতো ভাই, আমতলী উপজেলার চুনাখালি ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কাইয়ুম বিদেশে যাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে মরিয়া হয়ে ওঠেন। কাইয়ুম এবং তার বাবা প্রতিনিয়ত হিরন হাওলাদার ও তার মেয়ের জামাইকে অনুরোধ ও পীড়াপীড়ি করতে থাকেন। আত্মীয়দের এমন বারবার অনুরোধে এক পর্যায়ে মানবিক দিক বিবেচনা করে কাইয়ুমকে কাতারে নিতে রাজি হন হিরন হাওলাদার।

তবে কাতারে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক কাটলেও, মাত্র দুই মাস পেরোতেই কাইয়ুমের আর বিদেশে মন টিকছিল না। সে দেশে ফিরে আসার জন্য কান্নাকাটি ও জেদ শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে অত্যন্ত দরদী মন নিয়ে হিরন হাওলাদার সম্পূর্ণ নিজ খরচে কাইয়ুমকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান।

দেশে ফেরার পর দীর্ঘ তিন বছর এ বিষয়ে কোনো ঝামেলা বা অভিযোগ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই দীর্ঘ তিন বছর পর কাইয়ুম ও তার পরিবার হিরন হাওলাদারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য যে খরচ হয়েছিল, এখন উল্টো সেই টাকা ফেরত চেয়ে হিরন হাওলাদারকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সামাজিকভাবে একজন প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানিত প্রবাসী হিরন হাওলাদারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করারও গভীর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এলাকার সচেতন মহলের মতে, যে মানুষটি অন্যের কান্নাকাটি দেখে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে নিরাপদে তাকে দেশে পৌঁছে দিলেন, আজ তাকেই এমন নোংরা ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হচ্ছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক।

নিজের সততা ও সুনামের কথা উল্লেখ করে ভুক্তভোগী প্রবাসী হিরন হাওলাদার বলেন, “আমি কেবল আত্মীয়তার খাতিরে তাকে সাহায্য করেছিলাম। অথচ আজ আমাকেই মিথ্যা অপবাদ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার হতে হচ্ছে।”

একজন নির্দোষ ও রেমিট্যান্সযোদ্ধা প্রবাসীকে এমন সম্মানহানি ও চাঁদাবাজির হাত থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।