খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে নতুন রূপে সাজবে রাজশাহী চিড়িয়াখানা:প্রতিমন্ত্রী টুকু

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে নতুন রূপে সাজবে রাজশাহী চিড়িয়াখানা:প্রতিমন্ত্রী টুকু

এক সময় রাজশাহীর মানুষের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাফারি পার্কের আদলে নতুন করে গড়ে তোলা হবে ঐতিহ্যবাহী এ স্থাপনা।

সোমবার সকালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,এক সময় এটি ছিল রাজশাহীবাসীর বিনোদনের প্রধান কেন্দ্র। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে এর ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে। অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হওয়ার পথে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা এটি পুনরুদ্ধার করব।

তিনি জানান,চিড়িয়াখানাকে আধুনিকায়ন করে সাফারি পার্কের আওতায় আনতে খুব শিগগিরই একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রাণীগুলো কোথায় স্থানান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমান অবস্থা কী এসব বিষয়ও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মিট প্রসেসিং সেন্টার ও উন্নয়ন কার্যক্রম
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান,রাজশাহীতে আধুনিক মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাসিক ইতোমধ্যে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করেছে। নিরাপদ মাংস সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে মন্ত্রণালয় দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

এ সময় তিনি রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের প্রশংসা করে বলেন,স্বল্প সময়ে তার নেতৃত্বে নগরীর পরিচ্ছন্নতা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও বৃক্ষরোপণে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।

সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যামিলি কার্ড,কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ,কৃষি ঋণ মওকুফ ও ইমামদের সম্মানী প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো.শাহিনুর আলম এবং রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় রাসিক প্রশাসক প্রতিমন্ত্রীকে চিড়িয়াখানার বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরিয়ে দেখান।

চুনারুঘাটে তেলমাছড়া বিটের ভিলেজার পাড়া হতে সেগুন ও আকাশমণি গাছের অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করেছে – বন বিভাগ

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে তেলমাছড়া বিটের ভিলেজার পাড়া হতে সেগুন ও আকাশমণি গাছের অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করেছে – বন বিভাগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন তেলমাছড়া বন বিটের ভিলেজার পাড়া হতে অবৈধ জ্বালানি কাঠ উদ্ধার করে জব্দ করেছে জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর প্রায় ১২ টা রঘুনন্দন রেঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম গোপন সংবাদ পেয়ে তার নেতৃত্বে অত্র বন বিট কাম চেক স্টেশনের স্টাফদের কে নিয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চুনারুঘাটের সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া বিটের অধীনস্থ ভিলেজার পাড়া থেকে সেগুন ও আকাশমণি গাছের ২০ বান্ডিল জ্বালানি কাঠ আটক করে জব্দ করা হয় এবং জব্দকৃত জ্বালানি কাঠ জগদীশপুর বন বিট ফরেস্ট অফিসে হেফাজতে রয়েছে। অপর দিকে চুনারুঘাটে সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া এলাকার বেশ কয়েকজন সচেতন মহল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান , সাতছড়ি রেঞ্জের তেলমাছড়া বন বিট টি মৌলভীবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ আবুল কালাম এর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কোনো তদারকি নেই দীর্ঘ দিন ধরে । এ সুযোগে এ রেঞ্জের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও বন প্রহরী সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিন্তু তারা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রতিনিয়ত নির্বিচারে রাতের আধারে পাচারকারীদের সহযোগিতায় বনাঞ্চলের মূল্যবান বাঁশ সহ বিভিন্ন প্রজাতি গাছ কেটে পাচার এবং অন্যদিকে জ্বালানি কাঠ নিয়ে ভিলেজার পাড়া এলাকায় রেখে নীরবে পাচার করে দূরদূরান্ত বিক্রি করছে একটি বনদস্যু সংঘবদ্ধ চক্র। প্রতিদিন সাত ছড়ি বনাঞ্চলের বাঁশ ও বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের গাছ কাটার ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে তেলমাছড়া বিট এলাকায় ভিলেজার পাড়া জব্দকৃত সেগুন ও আকাশমণি গাছের জ্বালানি কাঠ মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।