খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ক্রাণ বিতরণে রুহুল কবির রিজভী

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ক্রাণ বিতরণে রুহুল কবির রিজভী

টানা বৃষ্টি আর পাহাড় ধসের কারণে যে প্রবল বন্যা তৈরি হয়েছে, তাতে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে। প্রাণিসম্পদ তলিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে একটি খসড়া হিসাব দেখলাম প্রায় ৩০ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হয়তো হিসাবটা আরও বেশি হতে পারে। তাই পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে যাতে ত্রাণ পৌঁছায়, কোনো মানুষ যেন ক্ষুধার্ত না থাকে। বুধবার ( জুলাই ) বাঁশখালী উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ক্রাণ বিতরণকালে

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার সদা জাগ্রত এবং সদা সতর্ক রয়েছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন সরকারের পক্ষ থেকে।

 

 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন। এলাকার অবস্থা এবং বন্যার পানির অবস্থা সম্পর্কে তিনি জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনাগুলো দিয়েছেন। ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবার বিষয়ে রিজভী বলেন, মানুষের কাছে যাতে ত্রাণ পৌঁছায়, কোনো মানুষ যাতে ক্ষুধার্ত না থাকে, তাই খাবার পৌঁছে দিতে হবে। পানিবাহিত যে রোগগুলো হয়, বিশেষ করে চর্মরোগ, আমাশয় ইত্যাদি, এই সমস্ত রোগ নিরাময়ের জন্য তিনি সিভিল সার্জন এবং অন্যান্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্যাকবলিত গ্রামগুলোতে, বাড়িঘরে মানুষের কাছে যাতে ওষুধ পৌঁছায় এবং খাবার পৌঁছায়। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে করেছে, এখনও করছেন। আমরা বর্তমান প্রযুক্তির যুগে, বিজ্ঞানের যুগে আশা করছি, সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছেন, সেগুলোর মাধ্যমে পরিবেশ ঠিক রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় রেখে কার্যকর সমাধান সম্ভব হবে।

 

 

তিনি বলেন, একটি সচল প্রাকৃতিক পরিবেশকে বাধা দেওয়া, হলে সেটা মৃতপ্রায় হয়ে ঠিক তেমনি নদীকে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। খালকে সংরক্ষণ করতে হবে। হাওরকে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। স্বচ্ছ পানির প্রবাহ থাকতে হবে। হাওরের ভেতর দিয়ে রাস্তা নিয়ে গিয়ে কারও সুবিধার জন্য কাজ করলে হবে না। এতে পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে, অনেক ক্ষতি হচ্ছে এবং প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের উপক্রম হচ্ছে। আমাদের নানা ধরনের মাছ ছিল সেই হাওরে, সেগুলোও বিনষ্ট হচ্ছে। এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, পুলিশ সুপার মাসুদ আলম সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।