খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তাহিরপুরে ইয়াবা ডিলার সোহাগ সহযোগী সহ পুলিশের খাঁচায়

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
তাহিরপুরে ইয়াবা ডিলার সোহাগ সহযোগী সহ পুলিশের খাঁচায়

সিলেট বিভাগ জুড়ে চলছে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে।সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মো: জিললুর রহমান যোগদানের পর থেকে উল্লেখযোগ্য ভাবে মাদকবিরোধী অভিযান বেড়েছে সিলেটের বিভাগ জুড়ে। আগেকার সময়ে সাধারণ মাদকবিদের পাকড়াও করে লোক দেখানো অভিযান করলেও মাদক ডিলাররা থাকতো ধরাছোঁয়ার বাইরে । বর্তমান ডিআইজি

পুলিশকে সাহসিকতার জায়গায় ফিরিয়ে নিতে ও অপরাধী পাকড়াও সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি মাদক বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিমালা ঘোষণার পর এখন মাদকের ডিলারদের ও নিয়ে আসা হচ্ছে পুলিশের খাঁচায়।
নবাগত রেঞ্জ ডিআইজি বিভাগের বিভিন্ন থানা ভিজিট করে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করছেন পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের।দিচ্ছেন বিভিন্ন নির্দেশনা।

মাদকের মধ্যে বিশেষ করে ইয়াবা ট্যাবলেট একের পর এক আপডেট ট্যাবলেট ( বিরুল)তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজ আজধ্বংসের পথে।
এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শুধু নয় ডিলারদের বিরুদ্ধে নেমেছে পুলিশ। যা মাদক নির্মূল করতে অতীব জরুরী।
রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের নির্দেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্ত জনপদ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা ডিলার সোহাগ ওরফে সোহাগ কে দুই সহযোগী সহ আটক করেছে পুলিশ।

অপহরণ সহ একাধিক মামলা রয়েছেসোহাগ এর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার ২ সহযোগী সহ তাকে আদালতের শপথ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পাঠানো হয়েছে কারাগারে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, তাহিরপুরউপজেলার উওর বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের মৃত জালালের ছেলে সোহাগ, মোল্লাপাড়া গ্রামের আক্কল আলীর ছেলে রুয়েল,একই গ্রামের মতিউরের ছেলে নুরুজ্জামান ময়না।

গ্রেফতার সোহাগ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান জালালের ছেলে।

মঙ্গলবার তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ জানান,গ্রেফতার সোহাগের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় ২০১৫ সাল থেকে ছিনতাই,হত্যাচেষ্টা, সংঘর্ষ সহ চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সে ইয়াবা ডিলর।

মামলার আরজি ও প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার বারহাল গ্রামের আজিজুর রহমান কাউছার, মোল্লাপাড়ার খোকন, সোহালার সাজ্জাদ সহ একাধিক মানুষজন জানান, মোল্লাপাড়ায় বাদাঘাট সরকারি কলেজের পাশে বাড়িতে বসবাস করে সোহাগ।

সোমবার দিবাগত রাতে মোল্লাপাড়ার একটি পতিত ঘরে ইয়াবা ক্রয় বিক্রয়ও সেবনকালে এলাকার লোকজন তাদের পাকরাও করেন।

এরপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ ও তার সহযোগিরা ২ থেকে ৩’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কৌশলে টয়লেটের ভেতর ফেলে দেয়।
তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ (মামলার বাদী) এসআই মনিরুজ্জামান সজল জানান, সোহাগ আন্ত:উপজেলার শীর্ষ ইয়াবা ডিলার, তাকে ও তার সহযোগিদের শতাধিক লোকজন আটকে রেখে পুলিশের খবর দেয়।

তদন্ত চলমান রয়েছে ইয়াবা কারবারে জড়িত তার অন্য সহযোগিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের চৌকস টিম কাজ করছে মাঠে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।