খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যাদুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যাদুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, বিচ্ছিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত বা এককভাবে নয়, বরং সরকারি-বেসরকারি সকল সংস্থাকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় যথাযথ সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশ হলো— সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং এর মূল টার্গেট হতে হবে দেশের সাধারণ জনগণ।

গতকাল রাতে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে সাম্প্রতিক বন্যা পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ক এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার এমপি সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মারমা। এছাড়াও সভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, যে যার মতো করে বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে সেবামূলক কাজ পরিচালনা করবেন না, কারণ এতে সঠিক সেবার মান বজায় থাকে না। দুর্যোগের এই সময়ে কে কী করলো বা কোন সংস্থা কতটুকু কাজ করলো, সেই হিসাব নির্ণয় বা কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতা করার সময় এখন নয়। এই মুহূর্তে সরকারি, বেসরকারি কিংবা যেকোনো সংস্থাসহ সকলের সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রয়াস নিশ্চিত করাই হবে মূল দায়িত্ব।

পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও অন্যান্য সংস্থার ছোট ছোট অনেক প্রকল্প রয়েছে। একসঙ্গে এতগুলো প্রকল্প ফোকাস করা অত্যন্ত কঠিন এবং এতে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসে না। তাই এসব সাময়িক বা ছোট প্রকল্পের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী ও সাসটেইনেবল (টেকসই) প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক উৎসের (রিসোর্স) কোনো অপচয় বা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। কোনো অবস্থাতেই কর্মকর্তাদের মধ্যে কমিউনিকেশন গ্যাপ বা যোগাযোগ ঘাটতি রাখা চলবে না।

মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে ব্যারিস্টার মীর হেলাল জোর দিয়ে বলেন, সরকারের উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা খরচ না করে কোষাগারে ফেরত প্রদান করার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। বরং অর্থ ফেরত গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হয় এবং জনগণ সুফল থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি বরাদ্দকৃত অর্থ কোনোভাবেই অপচয় না করে সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন এবং মাঠ পর্যায়ে নিবিড় সমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।

উক্ত মত বিনিময় সভায় এবারের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বান্দরবান জেলার ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি এবং তা মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন এবং দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।