খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকায় ‘ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন

মোঃ জমির হোসেন ( বেনাপোল)
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় ‘ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন

রাজধানী ঢাকায় অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬ এবং সংগঠনের বিশেষ স্মারকগ্রন্থ ‘স্মরণিকা-২০২৬’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর মগবাজারের সেঞ্চুরি মার্কেট সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী ফখরুদ্দিন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে এই মিলনমেলা বসে।

​অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এবং সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় উক্ত বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতির বিপুল সংখ্যক সাধারণ সদস্য ছাড়াও বেনাপোল ও শার্শা এলাকার বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এবং মোড়ক উন্মোচনে অংশ নেন শার্শা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান লিটন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি, সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেরুল্লাহ, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান সজন।
​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেনাপোলের কৃতি সন্তান ও সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সাদেকুর রহমান, শার্শা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম এবং বেনাপোলের আরেক কৃতি সন্তান শাহিনুর রহমান শাহিন। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি দল-মত নির্বিশেষে একটি প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়।
​
সভার প্রথম পর্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও সংগঠনের প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে শোক প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর অতিথিরা মঞ্চে উঠে সমিতির পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিশেষ স্মরণিকা ‘স্মরণিকা-২০২৬’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। স্মরণিকাটিতে সমিতির দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস, বিগত বছরের কাজের বিবরণী এবং সদস্যদের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক প্রবন্ধ ও শুভেচ্ছা বার্তা স্থান পেয়েছে।

​পরবর্তী সাধারণ সভায় সমিতির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও বিগত বছরের কাজের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়, যা উপস্থিত সদস্যদের সমর্থনে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। আলোচনা পর্বে সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়, ভবিষ্যতের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান করার লক্ষ্যে সদস্যরা তাদের গঠনমূলক মতামত তুলে ধরেন।

​বক্তারা ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতির সকল সদস্যের মধ্যে বিদ্যমান সুদৃঢ় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তারা জোর দিয়ে বলেন, শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়, বেনাপোলের সামগ্রিক উন্নয়ন ও এই অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে এই সমিতিকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। ঢাকায় বসবাসরত সকল বেনাপোলবাসীকে এই সংগঠনের পতাকাতলে একত্রিত হওয়ার এবং ভবিষ্যতে সমিতির প্রতিটি উদ্যোগে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

​অনুষ্ঠান শেষে সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকল সদস্য, অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। সভা শেষে সকলের জন্য ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।