খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিখোঁজের ৩ ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রশংসায় ভাসছেন মাগুরার এসপি মোল্লা আজাদ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
নিখোঁজের ৩ ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রশংসায় ভাসছেন মাগুরার এসপি মোল্লা আজাদ

মাগুরা শহরের সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আয়েশা নূর (১১) নিখোঁজ হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই তাকে উদ্ধার করেছে মাগুরা জেলা পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের কামারখালী এলাকার আড়পাড়া পুরাতন টোল প্লাজা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আয়েশা নূরের মা মমতাজ পারভীন মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পিপিএম-সেবা-এর কাছে উপস্থিত হয়ে জানান, তার মেয়ে সকালে বাসা থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ইজিবাইকে ওঠার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পিপিএম-সেবা-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) থান্দার খায়রুল হাসান, পিপিএম-এর নেতৃত্বে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার, মাগুরা সদর থানা, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি), সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, ডিএসবি এবং মাগুরা জেলা পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের সমন্বয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু হয়।
অভিযানের ধারাবাহিকতায় নিখোঁজের সংবাদ পাওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ফরিদপুরের কামারখালী এলাকার আড়পাড়া পুরাতন টোল প্লাজা থেকে আয়েশা নূরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে আয়েশা নূর পুলিশকে জানায়, ইজিবাইকে ওঠার সময় এক অপরিচিত ব্যক্তি একই গাড়িতে উঠে তার ওপর চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরে পেয়ে সে সেখান থেকে বের হয়ে আসে। পরে মাগুরা জেলা পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে। তবে বিষয়টির সত্যতা ও ঘটনার বিস্তারিত কারণ তদন্ত করে যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পিপিএম-সেবা অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরার বিষয়ে আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনা দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।