খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হরমুজ থেকে ইরানকে ফি আদায়ের প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
হরমুজ থেকে ইরানকে ফি আদায়ের প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ইরানকে স্বেচ্ছামূলক ভিত্তিতে পরিষেবা ফি আদায়ের সুযোগ দেওয়ার একটি প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। ওমানের উত্থাপিত এ প্রস্তাবকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে সৃষ্ট তেল বাণিজ্য সংকট নিরসনের সম্ভাব্য পথ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। রয়টার্সের বরাতে উপসাগরীয় একটি সূত্র জানায়, ওমানের প্রস্তাব অনুযায়ী হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের জন্য কোনো বাধ্যতামূলক মাশুল আরোপ করা হবে না। জাহাজগুলো স্বেচ্ছায় পরিষেবা ফি দিতে পারবে। এ ব্যবস্থাটি মালাক্কা প্রণালীর বিদ্যমান মডেলের মতো হবে, যেখানে নৌচলাচল, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য জাহাজগুলোকে স্বেচ্ছামূলক অর্থ প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হতো। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর ইরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য জাহাজের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রণালী পরিচালনা করে ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে পরিষেবা ফি নেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যুদ্ধের আগের মতোই কোনো ধরনের অর্থ প্রদান ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। ওয়াশিংটনের মতে, বাধ্যতামূলক ফি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সোমবার ওমান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলোচনা করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।