খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সাহায্য দিতে প্রস্তুত তুরস্ক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সাহায্য দিতে প্রস্তুত তুরস্ক

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার মুখে সৌদি আরবের প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত তুরস্ক। সৌদি আরবের সামরিক ও বিশেষ করে প্রযুক্তিগত কিছু চাহিদা থাকলে সাম্প্রতিক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তা পূরণ করতে প্রস্তুত আঙ্কারা।

শনিবার তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুতর হামলা হচ্ছে। ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে জোটগত সহযোগিতার বিষয়টি রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে তুরস্ক সৌদির প্রতি দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছে। সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে বিশেষ করে কিছু কারিগরি প্রয়োজন পূরণে তাদের আপত্তি নেই বলেও জানান তিনি।

গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল নীতির মধ্যে রয়েছে—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা। আগস্টের শেষ দিকে তিন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এর কাঠামোকে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’ হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয় এবং রিয়াদে একটি সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

চুক্তির পরপরই এর বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বাড়ায় জোটের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবে পরিস্থিতিটিকে দেখা হচ্ছে। তবে তুরস্ক জানিয়েছে, এই জোট বিদ্যমান কোনো আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক সামরিক জোটকে প্রতিস্থাপন করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়নি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্য দেশকে এতে যুক্ত করার সুযোগও খোলা রাখা হয়েছে।

এদিকে ইয়েমেনের হুতিরা জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করার পর দেশটির শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌপথে হামলা বাড়িয়েছে। শনিবার হুতিরা রিয়াদের ‘সংবেদনশীল’ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করে। একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল, যা প্রতিহত করা হয়। হামলার সময় রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরের কাছে আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়।

হরমুজ প্রণালির চলাচল ব্যাহত থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হয়ে উঠেছে। হুতিদের হামলা সেই পথকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।পাকিস্তানও মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়নি; প্রয়োজন হলে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে টেনে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন পক্ষের কাছে নতুন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।