খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অপরাধ জগতের আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন অবশেষে পুলিশের জালে ধরা

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে অপরাধ জগতের আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন অবশেষে পুলিশের জালে ধরা

চট্টগ্রামের আলোচিত ও অপরাধ জগতের আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন আত্নগোপনে থেকেও রক্ষা মেলেনি। অবশেষে পুলিশের জালে আটক হতে হলো তাকে। গত ২৮ জুলাই দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম পুলিশের রিকুইজিশনে ও সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার হয়।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের সীমান্ত এলাকা ঝিকরগাছায় চেকপোস্ট বসিয়ে ধুমধুমপুর এলাকা থেকে ডেভিডকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম পুলিশের রিকুইজিশনে ও সহায়তায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি এবং গ্রেপ্তারের পর তাকে চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, ‘ডেভিড ইমন ও তার সহযোগী রায়হানকে গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল। সেই অভিযানের ধারাবাহিকতায় যশোর থেকে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নোয়াখালীতে পরিচালিত আরেক অভিযানে রায়হান অল্পের জন্য পালিয়ে গেলেও তাকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারসহ পুরো অভিযানের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে। এর আগে, চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত রবিবার রাতে নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪)। এর মধ্যে আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।

 

 

প্রসঙ্গত, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ডেভিড ইমন। ছোট সাজ্জাদ কারাগারে যাওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামে এই অপরাধচক্রের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বাকলিয়ায় জোড়া খুন, পতেঙ্গায় আলোচিত ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি নগরে দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন)-এর কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়ও তার নাম উঠে আসে, যে ঘটনায় ইতোমধ্যে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে এত দিন মূলহোতা হিসেবে তিনিই ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।