খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি বিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস আইআরজিসির  : খবর আল জাজিরার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ দাবি করে আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির বলছে, তাদের মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র‌্যাম্প এবং যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সংগঠনটির দাবি, ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন ছিল।হামলায় তিনটি এফ-৩৫ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে আইআরজিসি বলেছে, নিরীহ বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার জবাব দিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ঘোষণা দেয়, ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন সেনা অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত’ তাদের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

হামলার পর জর্ডানের প্রতিও বার্তা দিয়ে আইআরজিসি জানায়, তাদের সামরিক অভিযান ও প্রতিরোধ কার্যক্রম চলমান থাকবে।আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাও জানিয়েছে, এফ-৩৫ ধ্বংস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আইআরজিসির দাবি তারা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।

এদিকে, ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বা জর্ডান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।