খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৫ দিনের মধ্যেই বেনাপোল বন্দরে নতুন ইকুইপমেন্ট, শ্রমিকদের টনপ্রতি মজুরি বাড়ছে ৫০ পয়সা

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
১৫ দিনের মধ্যেই বেনাপোল বন্দরে নতুন ইকুইপমেন্ট, শ্রমিকদের টনপ্রতি মজুরি বাড়ছে ৫০ পয়সা

হ্যান্ডেলিং শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট (ফর্কলিফট, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি) সংযোজন এবং শ্রমিকদের টনপ্রতি মজুরি ৫০ পয়সা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন।

রবিবার (২ আগস্ট ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫-এর কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে শ্রমিকদের এ তথ্য জানান ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী।

ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি বলেন, “শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় ইউনিয়ন সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। বন্দর পরিচালকের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়নের জন্য আমরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করব। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”

সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আসছি। আজকের বৈঠকে বন্দর পরিচালক আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজন করা হবে এবং শ্রমিকদের টনপ্রতি মজুরি ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করা হবে। আমরা আশা করছি, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।”

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, “শ্রমিকদের দাবিগুলো আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছি। বন্দরের কার্যক্রম আরও আধুনিক ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। শ্রমিকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে বন্দর পরিচালনা আরও কার্যকর হবে।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ ও মো. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মো. সবুজ হোসেন, লিংকন মেম্বার, সদস্য জামির হোসেনসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ শ্রমিক।

শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের এ আশ্বাসকে বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম আধুনিকায়ন ও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।