খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পেরুতে পর্যটকবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত নিহত ১৩ আরোহী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
পেরুতে পর্যটকবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত নিহত ১৩ আরোহী

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পেরুতে পর্য টকবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ আরোহীর সবাই নিহত । দেশটির সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বিবিসি।

সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮’ মডেলের উড়োজাহাজটি পেরুর পিসকো বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় শনিবার উড্ডয়নের পর দুপুর ১টার দিকে ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ‘নাসকা লাইন্স’-এর ওপর দিয়ে উড্ডয়নকালে পুয়েবলো ভিয়েহো অঞ্চলে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। এতে ১১ জন যাত্রী ও ২ জন পাইলট ছিলেন।

পেরুর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সাতজন ইতালীয়, দুজন জার্মান এবং দুজন স্প্যানিশ পর্যটক রয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।দক্ষিণ পেরুর মরুভূমির বালিতে প্রাচীন প্রাণীদের আঁকা অতিকায় চিত্রকর্মের জন্য বিখ্যাত ‘নাসকা লাইন্স’। ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যবাহী স্থানটিতে চিত্রকর্মগুলোর সম্পূর্ণ রূপ দেখতে পর্যটকেরা সাধারণত ছোট উড়োজাহাজে ভ্রমণ করে থাকেন।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মেজর জর্জ আন্দ্রেদে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে এতে থাকা কেউ জীবিত নেই। তিনি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত চারটি মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি।

ঘটনার পর এক বিবৃতিতে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ‘মুনিসিপালিদাদ প্রোভিনসিয়াল দে নাসকা’। তারা জানায়, উড়োজাহাজটি পেরুর স্থানীয় বিমান সংস্থা ‘এরোডিয়ানা’র মালিকানাধীন। এয়ারলাইনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা পর্যালোচনা করবে।

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।