খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সিলেট এসি ল্যান্ড অফ দ্য মান্থ ” সম্মাননা অর্জনকারী প্রণয় বিশ্বাস এখন কুলাউড়ার এসিল্যান্ড

এমদাদুর রহমান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
সিলেট এসি ল্যান্ড অফ দ্য মান্থ ” সম্মাননা অর্জনকারী প্রণয় বিশ্বাস এখন কুলাউড়ার এসিল্যান্ড

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি ) হিসেবে কর্মদক্ষ সততা ও নিষ্ঠার কারণে সিলেট জেলা প্রশাসনের ঘোষিত ” এসি ল্যান্ড অফ দ্য মান্থ ”

দেশব্যাপী আলোচিত সততা ও নিষ্ঠার গৌরব অর্জনকারী সিলেটের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ( ডিসি) সারওয়ার আলম এর হাত থেকে সম্মাননা অর্জনকারী সেই প্রণয় বিশ্বাস এখন কুলাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ।

৪০ তম বিসিএস এর এ কর্মকর্তা গত ১৬ জুলাই কুলাউড়া উপজেলায় এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদানের করেন।
এর পর চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মতৎপরতা।

তবে তিনি জানান, কুলাউড়া উপজেলায় ভূমি সেবা যাতে জনবান্ধব হয় সে লক্ষ্যেই কাজ করবেন

সিন্ডিকেট ও দালালদের কারণে কোন মানুষ যেন ভূমি সেবায় হয়রানির শিকার না হয় সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসিল্যান্ড প্রণয় বিশ্বাস রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ থেকে এস এস সি ও এইচএসসি পাশ
করার পর বিসিএস পাস করেন বুয়েট মেকানিক্যাল থেকে।

৪ ডিসেম্বরে ২০ূ২২ সালে যোগদান করেন চাকুরীতে। এসিল্যান্ড হিসেবে প্রথম চাকরি জীবনের শুরুতেই সততা, নিষ্ঠা আর কর্মদক্ষতার কারণে সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে সম্মানিত হন ম্যান অফ দ্যা এসিল্যান্ড “”
হিসেবে।।
সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেব চাকুরী জীবনে দ্বিতীয় কর্মস্থল কুলাউড়ায়।
সাধারণ মানুষকে ভূমি সেবা সহ কিছু প্রশাসনিক ও মানবিক সেবা দিতে চান তিনি কুলাঊড়াবাসী কে। তবে সে ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন সর্বমহলের।

লেখাপড়ার সুবাদে রাজশাহী — ঢাকা ও চাকুরীর সুবাদে সিলেটেই যেন মনে হয় মূল নিবাস এমনটাই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

অভিযান:সরকারি রাজস্ব এর একটি বড় অংশ আসে হাকালুকি হাওয়র থেকে। এ হাওরের একটি বৃহৎ অংশ কুলাঊড়ায়। যেখান থেকে ব্যাপক রাজস্ব আসে।বেশ কিছু অভয়াশ্রম রয়েছে হাকালুকি হাওরে।
মৎসর আশ্রয়স্থল হচ্ছে জলাভূমি। দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য সেখানে কিছু অংশে মাছ ধরা বন্ধ থাকে স্থায়ীভাবে কোন সময় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে।
কিন্তু এসব কিছুর তোয়াক্কা না করে কিছু অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ী তাদের ব্যক্তিগত মুনাফা আদায়ের জন্য কারেন্ট জল দিয়ে দেশীয় মাছ মেরে নির্বিচারে দেশীয় মাছের বংশ নির্মূল করছেন। বাধা দিচ্ছেন মাছ প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে উঠতে। এরা আসলেই একটা বড় ধরনের সিন্ডিকেট। যারা দেশীয় মাছের সংকট সৃষ্টি করতে চায় অসৎ উদ্দেশ্যে। এসর সংবাদ পেয়ে হাকালকি হাওরে অভিযান পরিচালনা করেন কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ভূমি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় বিশ্বাস। এসময় বেশ কিছু কারেন্ট চাল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে এনে ধ্বংস করা হয়।
তিনি জানান, অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের কারণে (যারা কারেন্ট জাল ব্যবহার করে) বেশ কিছু দেশীয় মাছের অস্তিত্ব এখন হাওয়রে সংকটের মুখে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।