খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে পড়া কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’ উদ্ধার

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে পড়া কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’ উদ্ধার

চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর মোহনায় আটকে পড়া কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’-কে রাতভর সমন্বিত অভিযানে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ( ৪ আগস্ট ) দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর চ্যানেলে প্রবেশের সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্টিয়ারিং বিকল হয়ে যায় মাল্টার পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস’। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২০১৭ সালে নির্মিত ১৭০ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি ২ নম্বর লাল বয়ার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নদী মোহনার সংলগ্ন রিটেইনিং ওয়ালে আছড়ে পড়ে এবং গ্রাউন্ডেড হয়।

 

 

চীনের শিকৌ বন্দর থেকে আসা ৯ দশমিক ৫০ মিটার ড্রাফটের জাহাজটিতে ১ হাজার ২৮২ টিইইউএস (TEUs) কন্টেইনার এবং মাস্টারসহ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট এপিএল (বাংলাদেশ)। ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযানে বন্দরের সিনিয়র পাইলটদের পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষের টাগবোট ‘কান্ডারী-২’, ‘কান্ডারী-৪’, ‘কান্ডারী-৬’ ও ‘কান্ডারী-১১’, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগবোট ‘শিবসা’, টানেল টাগবোট এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টাগবোট ‘প্রমত্ত’ অংশ নেয়। এছাড়া নেভিগেশন চ্যানেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

 

 

উদ্ধারকারী দল রাতভর সমন্বিতভাবে অভিযান চালায়। জাহাজটির ড্রাফট কমানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনে কিছু কন্টেইনার খালাসের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছিল। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গভীর রাতেই জাহাজটিকে সফলভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে সেটিকে নিরাপদে ‘বি’ (ব্রাভো) অ্যাঙ্করেজে নোঙর করানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো উদ্ধার অভিযান চলাকালে বন্দর চ্যানেলে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক ছিল এবং এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সফল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বন্দর কর্তৃপক্ষের পাইলট, টাগবোট ক্রু, নৌ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

উল্লেখ্য, দেশের মোট আমদানি-রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই দ্রুততম সময়ে জাহাজটি উদ্ধার হওয়ায় বন্দরের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা সম্ভব হয়েছে এবং জাতীয় বাণিজ্যও কোনো বিঘ্নের মুখে পড়েনি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।