খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাবিতে জাকসুর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণিকা ‘জাগরণ’-এর মোড়ক উন্মোচন

সাহামিনা দিতি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
জাবিতে জাকসুর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণিকা ‘জাগরণ’-এর মোড়ক উন্মোচন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও গণআন্দোলনের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সংরক্ষণ ও পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) প্রকাশিত স্মরণিকা ‘জাগরণ’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

স্মরণিকা ‘জাগরণ’-এর প্রশংসা করে ভিসি বলেন, ‘আজ হয়তো এই বইটি খুব বেশি মানুষ পড়বে না। কিন্তু ২০ বা ৩০ বছর পর যখন আমরা অনেকেই পৃথিবীতে থাকব না, তখন এই গ্রন্থটি ইতিহাসের মূল্যবান দলিল হয়ে থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারবে কারা এই দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘জাতির মুক্তির জন্য সংঘটিত কোনো আন্দোলন বা গণঅভ্যুত্থানকে টিকিয়ে রাখতে শুধু প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারীদের স্মৃতি যথেষ্ট নয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সেই ইতিহাস পৌঁছে দিতে হলে গ্রন্থ, কবিতা, গল্প, নাটক, সংগীত, চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে তা সংরক্ষণ করতে হবে।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে জীবন্ত রাখতে গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, ‘শুধু আবেগে নয়, জুলাইকে গবেষণা, সাহিত্য, সংগীত ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। যেমন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গান আজও মানুষকে আবেগাপ্লুত করে, তেমনি জুলাইয়ের ইতিহাস নিয়েও এমন সৃষ্টি হওয়া উচিত, যা মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করবে।’

জাকসুর উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এটি একটি শুভ সূচনা। এটি এখানেই থেমে থাকা উচিত নয়। প্রতি বছর আরো সমৃদ্ধভাবে এ ধরনের আয়োজন হওয়া প্রয়োজন, যাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে সংরক্ষিত থাকে।’

‘জাগরণ’-এর প্রধান সম্পাদক ও জাকসুর সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, স্মরণিকাটি শুধু একটি প্রকাশনা নয়; এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, আত্মত্যাগ, প্রত্যাশা ও সংগ্রামের দলিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যেই বিভিন্ন লেখা, স্মৃতিচারণ, সাক্ষাৎকার ও আলোকচিত্র সংকলন করে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: সোহেল রানা, জাকসুর ভিপিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।