খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অ্যান্টিভেনম না পাওয়ার অভিযোগ: গলাচিপায় সাপের কামড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

সোহেল রানা
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
অ্যান্টিভেনম না পাওয়ার অভিযোগ: গলাচিপায় সাপের কামড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সাপের কামড়ে জাকির মৃধা (৪৫) নামের স্থানীয় এক বিএনপি নেতার করুণ মৃত্যু হয়েছে। সময়মতো অ্যান্টিভেনম ও প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে পটুয়াখালী জেলা হাসপাতালে রেফার করার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।

নিহত জাকির মৃধা গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মো. ফজলুল করিম মৃধার ছেলে এবং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিজ ঘরে বসে টেলিভিশন দেখার সময় হঠাৎ একটি বিষধর সাপ জাকির মৃধার পায়ে কামড় দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

পরিবার ও স্থানীয়দের ক্ষোভ নিহতের বড় ভাই ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল অদুদ মৃধার দাবি, হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম থাকা সত্ত্বেও কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীকে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা বা ইনজেকশন না দিয়ে সরাসরি পটুয়াখালী রেফার করেন। অ্যাম্বুলেন্সে করে পটুয়াখালী নেওয়ার পথেই মারা যান জাকির মৃধা।

আব্দুল অদুদ বলেন, “জরুরি ভিত্তিতে একটি অ্যান্টিভেনাম দিলে হয়তো আমার ভাইকে বাঁচানো সম্ভব হতো। চিকিৎসক কেন চিকিৎসা না দিয়ে রেফার করলেন, আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি চাই।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা হাসপাতালে সাপের বিষের ওষুধ মজুদ থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ না করা চরম অবহেলা। পুরো ঘটনার প্রশাসনিক তদন্ত দাবি করেছেন তারা।

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল নাঈম তানহা জানান, রোগী যখন হাসপাতালে আসেন তখন তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক ছিল। অতিমাত্রায় রক্তচাপ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে কার্ডিয়াক জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তিনি আরও জানান, “অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের পর যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা জটিলতা তৈরি হতে পারে, তা সামাল দেওয়ার মতো আইসিইউ বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমাদের উপজেলা হাসপাতালে নেই। এসব দিক বিবেচনা করে এবং জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বজনদের সম্মতিতে অক্সিজেন দিয়ে পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছিল।”

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবা উদ্দিন জানান, রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক অ্যান্টিভেনম না দিয়ে উন্নত চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

চিকিৎসকের এই সিদ্ধান্ত যুক্তিসঙ্গত ছিল নাকি অবহেলা ছিল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।