খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দীর্ঘ ৮ বছর পর ঢামেক ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ডা. খান ইফতেখার
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৮ বছর পর ঢামেক ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

দীর্ঘ ৮ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি।

গত ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটি ঘোষণা করে৷ ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৭২ ব্যাচের আবদুল্লাহ আর রায়হান আর সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কে-৭৩ ব্যাচের মেশকাত শরীফ ভূইয়া।

দীর্ঘদিনের অচলবস্থা শেষে নতুন কমিটি গঠন হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে৷ তাদের প্রত্যাশা নতুন কমিটি সবাইকে নিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস বিনির্মানে কাজ করে যাবে।

আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আর রায়হান দৈনিক ঢাকার ডাককে বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে নিজের জন্য অত্যন্ত সম্মান ও বড় একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, এই দায়িত্ব শুধু একটি সাংগঠনিক পদ নয়; বরং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার এবং তাদের ন্যায্য অধিকার ও যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরার একটি সুযোগ। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা রয়েছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখাই হবে তার অন্যতম অগ্রাধিকার।”

তিনি আরও বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, আবাসন, চিকিৎসা-শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা এবং শিক্ষার্থীদের অন্যান্য যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে তারা কাজ করতে চান। একই সঙ্গে তিনি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করে একটি দায়িত্বশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলকে এগিয়ে নেওয়াই তার মূল লক্ষ্য।”

সদস্য সচিব মেশকাত শরীফ ভূইয়া দৈনিক ঢাকার ডাককে বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মেশকাত শরীফ ভূইয়া বলেন, এই দায়িত্ব তার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি এটি একটি বড় অঙ্গীকারের বিষয়। তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক সমস্যা ও সংকটে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কথা যথাযথভাবে তুলে ধরাই একজন ছাত্রনেতার প্রধান দায়িত্ব। নতুন কমিটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।”

মেশকাত শরীফ ভূইয়া আরও বলেন, “সংগঠনকে শুধু সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধানে ভূমিকা রাখতে চান। একাডেমিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে ইতিবাচকভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে একটি সুসংগঠিত, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্রদল গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।