খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৬দফা মেনে নেয়ার শর্তে সিসিক প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের সমঝোতায় সিলেট বিভাগেশ্রমিক কর্মবিরতি প্রত্যাহার

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
৬দফা মেনে নেয়ার শর্তে সিসিক প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের সমঝোতায় সিলেট বিভাগেশ্রমিক কর্মবিরতি প্রত্যাহার

সিলেটে পরিবহন শ্রমিক নেতারা বারবার তাদের দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনের ডাক দিলে দ্বিতীয়বারের মতো কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের কর্ম বিরতি ঘোষণা দিলেও বাস্তবায়নের যাননি তারা । শ্রমিক নেতারা জানান তাদের উদ্দেশ্য ন্যায্য দাবি আদায় , তারা অসহায় হয়ে আন্দোলনের ডাক দেন কিন্তু এতে প্রশাসনের বা জনপ্রতিনিধি কেউ সারা দিলে , মধ্যস্থতা করলে সে বিষয়টিকেও সম্মান দিয়ে মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্ম বিরতির মতো কর্মসূচি স্থগিত করেন । বলে দাবী করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মইনুল ইসলাম।তিনি জানান, ছয় দফা দাবি মেনে নেওয়ায় হয়েছে। তাই পরিবহনের চাকা সচল রাখার জন্য অনুরোধ জানান সকলের প্রতি।

জানাযায়,সিলেট বিভাগে ১৯ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। জনসাধারণ ও যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের আহ্বানে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। সিলেট বিভাগের চার জেলার পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা সভায় অংশ নেন।

এতে দীর্ঘ আলোচনায় স্থানীয়ভাবে সমাধানযোগ্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ এবং জাতীয়ভাবে সমাধানযোগ্য দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হলে শ্রমিক নেতারা কর্মবিরতি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেন বলে নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সিলেট বিভাগে কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আকবর রাজন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “প্রতিটি মালিক সংগঠন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। পরিবহন সেক্টরের নেতাদের অনেক দাবিদাওয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু দাবি জাতীয়ভাবে সমাধানযোগ্য, আবার কিছু দাবি স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।”

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, “সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। ফলপ্রসূ আলোচনার পর শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মইনুল ইসলাম কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্তের জন্য আমরা সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মইনুল ইসলাম “বিভাগীয় কমিশনার ও সিসিক প্রশাসকের আহ্বানে বৈঠকে বসার বিষয় নিশ্চিত করে জানান, আমাদের দাবিগুলোর বিষয়ে তারা আশ্বাস দিয়েছেন।বিশেষ করে আমাদের ১৩ দফা দাবি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এতে আমরা আশ্বস্ত হয়েছি।”

 

সমঝোতা বৈঠকে সিলেট বিভাগের পরিবহন সেক্টরের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিতিত ছিলেন।

 

শ্রমিক নেতৃবৃন্দ জানান, “মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ রোডে আমাদের কর্মসূচি চলমান ছিল। বৈঠকের পর আমরা সেই কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আগামী ১৯ আগস্ট থেকে সিলেট বিভাগে যে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটিও স্থগিত করা হলো।”

বৈঠকে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ারুল হক, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মাসুদ রানা, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মিনহাজুর রহমান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বিআরটিএর উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মইনুল ইসলাম, সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি নাজিম লস্কর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক, সাধারণ সম্পাদক সজিব আলী, আবু সরকার, আব্দুল অদুদ, ইলিয়াছ আহমদ, মতছির আলী, রনু মিয়া মঈন, ফয়জুর নুর, সোয়েল আহমদ, আলী আকবর রাজন, মাসুম লস্কর, আজাদ মিয়া, ইনসান আলী, নুর উদ্দিন, দিপু আহমদ, মাহবুব মিয়া মবু, আব্দুস শহিদসহ সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।