খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রথমবার শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে বিমান দিল ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে বিমান দিল ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মুনাফার অংশ দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনটি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৪২ হাজার ৭১৪ টাকার একটি চেক শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে গিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিমানের একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় মন্ত্রীর কাছে মুনাফার অংশের চেক হস্তান্তর করা হয়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিমানের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডেপুটি সিইও, পরিচালক অর্থ এবং মহাব্যবস্থাপক পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২৩৪ ধারা অনুযায়ী কোনো কোম্পানির নিট মুনাফার ৫ শতাংশের ১০ শতাংশ অর্থ বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ বিধান অনুসারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিলে প্রদেয় অর্থের ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৪২ হাজার ৭১৪ টাকা ফাউন্ডেশন তহবিলে দেওয়া হয়েছে।

বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ন্যায্য মুনাফার অংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার অংশ। জাতীয় আইন ও বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও এই দায়বদ্ধতা পালনের অঙ্গীকার রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, সংস্থাটির ইতিহাসে এবারই প্রথম শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মুনাফার অংশ প্রদান করা হলো।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।