খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মো : আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভবানীপুর থেকে বাঘের বাজার পর্যন্ত সড়ক ও সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (২২ আগস্ট) দিনব্যাপী অভিযানে মহাসড়কের দুই পাশে থাকা বিভিন্ন মার্কেট, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ৪০০ অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাত হোসেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের দুই পাশের সরকারি জায়গা ও খাসজমি দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছিল। এতে মহাসড়ক সরু হয়ে যানজট ও দুর্ঘটনা বেড়ে যায়। জনস্বার্থে মহাসড়ক দখলমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে ইউএনও মো. সাজ্জাত হোসেন দৈনিক ঢাকার ডাক কে বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণের কারণে দুর্ঘটনা ও যানজট নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জনস্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি জমি দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি), পুলিশ, র‍্যাব ও সড়ক বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন পর সরকারি জমি উদ্ধারে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, কমবে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।