খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৪ বছরের কারাদণ্ড

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৪ বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় শাহ আলম (৪৪) নামে এক যুবককে পৃথক দুই ধারায় মোট ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শাহ আলম, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পুরান পল্লান পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৮২৯ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। সাজা পরোয়ানা মূলে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

 

 

মামলার নথি থেকে জানা যায়, শাহ আলমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৫০ লাখ ৫ হাজার ২৯ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এসব সম্পদের বৈধ উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক তথ্য না পাওয়ায় তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও শাহ আলম দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, দুদকের মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাহ আলমকে পৃথক দুই ধারায় মোট চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।